#আমার চোখে সত্যজিৎ – এক প্রতিষ্ঠান – কিছু কোলাজ তিনি শিখিয়েছেন সাসপেন্স কিভাবে সৃষ্টি করতে হয়। দু জোড়া পায়ের দিকে ক্লোজ করা ক্যামেরা। সেই দু জোড়া পা একটু একটু করে এগিয়ে যাচ্ছে একটি বাচ্চা ছেলের কাছে। তারপর শুরু হয় কিছু কথোপকথন। সিনেমার পর্দার সামনে বসা দর্শক মুগ্ধ হয়ে দেখেন সেই দৃশ্য। ক্যামেরা তখনও তাক করে রাখা সেই দু জোড়া পায়ের দিকে। ব্যাকগ্রাউন্ডে কিছু প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু হয় এইভাবে “এই খোকা, খোকা, শোন, মুকুলদের বাড়িটা আমাদের একটু দেখিয়ে দিতে পারবে?” কতকটা এইভাবেই সত্যজিৎ সাসপেন্স সৃষ্টি করেছিলেন। সোনার কেল্লা গল্পে এই দুই দুষ্টু লোককে অনেক পরে ক্যামেরার সামনে এনে দেখিয়েছেন। কিন্তু এই দুই দুষ্টু লোক সম্পর্কে খুব সচেতন ভাবে দর্শকের মনে এক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছিলেন। এতক্ষণে মনে পড়ছে নিশ্চয়ই মন্দার বোস এবং বর্মণের নাম। একজন ভূ-পর্যটক ও একজন নকল ডঃ হাজরা। বাঙালির মধ্যে সত্যজিৎ সৃষ্টি করলেন প্যারাসাইকোলজি সম্পর্কে আগ্রহ। মানুষের মনে আনলেন কিছু প্রশ্ন জাতিস্বর সম্পর্কে। সেইসময় ছোটদের কাছে বড়দিনের বড় উপহার এনেছিলেন সত্যজিৎ। যার নাম সোনার কেল্লা। ১৯৭৫ সালের ৩রা জানুয়ারি আনন্দবাজারে ...