অনেক দিন ধরেই ভাবছিলাম। কিন্তু হয়ে উঠছিল না। আজ করব কাল করব করে করে দিনগুলো কেটে যাচ্ছিল। ভাবনা ছেড়ে যখন কাজে বসলাম তখন মনে হল না " THIS IS NOT MY CUP OF TEA"
তারপর হঠাত্ করেই PK কে নিজের মনের কথা বললাম। ও শুনে বলল এতে এত চিন্তার কি আছে, একটু সময় করে এস আমি বানিয়ে দেব বেশ যুত্সই একটা BLOG. তাই গতকাল বানিয়েই দিল একটা BLOG
ও যাহ্ PK বলতে আপনারা আবার আমীর খানকে নিয়ে ভাবতে থাকবেন না যেন। PK মানে প্রশান্ত কর্মকার।
তাহলে এবার থেকে চলতে থাকুক কিছু আড্ডা আমার সাথে। সময় হলেই বোসে পড়ুন একটা ডায়েরি, পেন আর কফি মগ বা চায়ের কাপ নিয়ে। মগ নিয়ে মগ্ন হয়ে থাকতেই পারেন আমার সাথে। ভাবছেন কেন হাতে পেন আর ডায়েরি নেবেন । কারণ লিখব আমি আর আপনারা আপনাদের মতামত জানাবেন এখানে। আমার এই ব্লগে।
MISSION SANDAKFU লেখক : - প্রেমাংশু দেবনাথ মিশন সান্দাকফু - প্রথম পর্ব পরিচয় - ট্রেন টা এক ঘণ্টার উপর লেট আছে । - তো , কি হয়েছে ? এই সুযোগে বরং ব্যাগ গুলো গুছিয়ে নে। - ওরে তুই জুতো টা পর রে। - এই শত হাত মুখ টা ধুয়ে নে এবার। - দ্যাখ্ শতদল টা এখনও ঘুমোচ্ছে । - ওর পেছনে একটা ক্যাত করে লাগা দেখবি তিরিং করে উঠবে। - ওরে শতদল নিউ জলপাইগুড়ি আর পনেরো মিনিটের মধ্যেই ঢুকবে। -Get ready boys. এই ভাবেই শুরু হয়েছিল মিশন সান্দাকফু। ট্রেকিংয়ের সময়ে লেখার সময় করে উঠতে পারিনি । তাই স্মৃতি রোমন্থনের মধ্যে দিয়ে লেখাটি আবার শুরু করলাম । সেদিনটা ছিল 18/12/16 । সকাল সাড়ে আটটা কি নটা হবে । সেদিন সকালে সবচেয়ে লেটে ঘুম থেকে উঠল আমাদের শত। মানে শতদল জানা। কিন্তু সান্দাকফু পৌঁছাল সবার প্রথমে। শতদল কে বলা যেতে পারে আমাদের কাণ্ডারী বা পথের দিশারী । ওই হল আমাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর। ছিপছিপে চেহারা । অ্যাথলেটিক ফিগার । হাইট আন্দাজ 5'8" । মনে হচ্ছিল এই ...
শুভ কামনা রইলো!
ReplyDeleteঅনেক ধন্যবাদ দাদা।
Delete