Let's Go অজন্তা ইলোরা
পর্ব ৩
সাঁ সাঁ করে চলছে ব্ল্যাক স্করপিওটা। ফুরফুরে মেজাজ এখন তিনজনের। ভোদলু দা গুনগুন করে গান শুরু করেছে ড্রাইভারের পাশের সিটটায় বসে। বাইরে ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি চলছে। তাই সেই বর্ষণমুখর সন্ধ্যায় ভোদলু দা গেয়ে চলেছেন -----
"আজি ঝড় ঝড় মুখর বাদর দিনে
জানিনে জানিনে, কিছুতে কেন যে মন লাগেনা"------
পিছন সিট থেকে উজ্জ্বল বলে উঠল "লাগবে দাদা, আর কয়েকদিন পর যখন বৌদিকে নিয়ে এখানে এসে থাকবে, তখন বেশ ভাল লাগবে। সব কিছুতেই মন লাগবে।"
উজ্জ্বলের পাশের সিটে বসা যাদব পাশ থেকে বেশ সুর করে বলে উঠল-"ভালোই আছ হ্যাঁ, চাকুম চুকুম করে চিকেনের পিস খাচ্ছ, বৃষ্টির মধ্যে গাড়িতে বসে গুনগুন করে গান গাইছ, আমরা আর কি করি বল উজ্জ্বল, আমাদের তো কেউ নাআআআআইই।"
সেই মুহূর্তে ভোদলু দা বলে উঠলেন - "শুধু আমি ভালো আছি না, তোমরাও ভাল আছ। সত্যি কথা বলতে সময়টা ভালো যাচ্ছে, নইলে কেউ আমাদের মতো মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে একটা ডিসিশন নিয়ে এতবড়ো একটা ট্রিপের উদ্দ্যেশে বেরোতে পারে।"
কথাগুলো ভোদলু দা ঠিকই বলেছিলেন। সেদিন হঠাৎ করেই কারেন্ট reservation-এ উজ্জ্বল তিনটে টিকিট পেয়ে গিয়েছিল মহারাষ্ট্রের জলগাঁও ষ্টেশনের। ট্রেন নবজীবন এক্সপ্রেস। মাঞ্চেরিয়াল ষ্টেশনে আসবার সময় রাত ৯টা ২০তে। ট্রেনটি পরেরদিন সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ জলগাঁও ষ্টেশনে পৌছবে। অর্থাৎ এক রাত্রির জার্নি। তা গেস্টহাউসে থাকাকালীন ভোদলু দা যখন চিকেনের লেগপিসে কামড় বসাচ্ছিল তখন উজ্জ্বল এবং যাদবের টেনশন কে দ্যাখে। ওরা ক্রমাগত তাড়া দিতে থাকে ভোদলু দা কে, নইলে সাতটার চেন্নুর-মাঞ্চেরিয়ালগামী বাসটা যে মিস হয়ে যাবে। হলও তাই। ওরা কলোনির গেটের সামনে আসতেই চোখের সামনে দিয়ে বাস ভোকাট্টা হয়ে গেল। যাদব তাচ্ছিল্য স্বরে ভোদলু দাকে বলতে লাগল- "দূর ক্যালা, খাও এবার আরও বেশি করে চিকেন লেগ খাও।" উজ্জ্বল খুব হতাশ হয়ে বলে উঠল "যাহ্ কি হবে এবার? নেক্সট বাস যে আটটার আগে পাব না। সেই বাস যদি আরও লেট করে তাহলে তো ট্রেন পেতে অসুবিধা হবে।"
যাদব বলে উঠল "কি আবার হবে? আমরা সবাই এ যাত্রা বি এ ডি(BAD)বাদ হয়ে যাব।"
"কুছ পরোয়া নেহি" বলতে বলতে ভোদলু দা এগিয়ে গেল বাস রাস্তা বরাবর। একটু দুর থেকে দেখা গেল বসাক স্যারকে আসতে। বসাক স্যার উজ্জ্বলের বস্। বেশ ভাল মিল আছে বস্ ও বসাক। ভোদলু দা'র মাথায় চট করে একটা বুদ্ধি খেলে গেল। ও বুঝতে পারল যে সামনে দিয়ে সোঁ করে গেস্টহাউসের ভেতরে ঢুকে যাওয়া কালো স্করপিও গাড়িটাতে করে নিশ্চয়ই বসাক স্যার এসেছেন। তাই ভোদলু দা স্যারের কাছে গিয়ে বললেন--"বসাক স্যার, একটু যদি বসবার ব্যবস্থা করে দেন ওই গাড়িটাতে তাহলে খুব সুবিধে হয়। আপনি তো ওই গাড়িতেই এলেন তাই না?"
"নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই, তা উজ্জ্বল, শুনলাম তোরা অজন্তা-ইলোরা যাচ্ছিস। খুব ভাল, ঘুরে আয় খুব ভাল করে। দাড়া, গাড়িটাকে ঘুরে আসতে দে আমি বলে দিচ্ছি।"- বসাক বাবু বললেন। গাড়ি আসবার পর ওরা তিনজন বেশ আয়েশ করে গাড়িতে উঠে বসে ও Thank you sir, Thank you sir বলতে বলতে ষ্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
ভোদলু দা বলল - "বসাক স্যারের পদবী সার্থক।"
"কেন?"- উজ্জ্বল জিজ্ঞাসা করল।
"আরে বাবা বসাক থেকে বসে যাক, মানে আমরা বসে গেলাম, মানে ওনার নাম সার্থক হল। কি বুঝলে?"- যাদব বলে উঠল হাসতে হাসতে।
অতঃপর গাড়ি পৌঁছল গীতা ভবন রেস্টুরেন্টের সামনে। মাঞ্চেরিয়াল বাস স্ট্যান্ডের সামনে এই গীতা ভবন রেস্টুরেন্টটা ভীষণ জনপ্রিয়। খুব বড় হল ঘরটি। ভেতরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষও রয়েছে। ওরা তিনজনে রাতে ডিনার সেরে ষ্টেশনের উদ্দ্যেশে রওনা দিল। ঘড়িতে তখন রাত সাড়ে আটটা থেকে পৌনে নটার মধ্যে কোনও এক সময়। মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই ওরা পৌঁছে গেল ষ্টেশনে। ষ্টেশনে এসে জানা গেল নবজীবন এক্সপ্রেস কুঁড়ি মিনিট লেট। অগত্যা কি আর করার। সময় নষ্ট করবার যন্ত্র তো এখন মুঠোফোন। এছাড়া ফেসবুক ও হোআটস্যাপ তো আছেই।
পরের দিন সকালে --------
"এ ক্যালা, ওঠো ওঠো সকাল সাড়ে সাতটা যে বেজে গেছে।" যাদব ভোদলু দা'র উদ্দ্যেশে বলে উঠল।
"আমার প্রাত্যহিক পর্ব সাঙ্গ হইয়াছে।" - ভোদলু দা বললেন।
"ও তুমি তো আবার একজন লেখ্যকার। তাই এরকম সব শব্দ উচ্চারণ করছ। প্রাত্যহিক, সাঙ্গ ইত্যাদি ইত্যাদি।" - যাদব বলল।
পাশ থেকে উজ্জ্বল বলে উঠল- "তা যাদব দা তুমি হলে এটাকে কি বলতে?
"গোদা বাংলায় বলতাম- হেগে এলুম। ওই সব প্রাত্যহিক টাত্যহিক ওসব আমার পোষাত না।" ভোদলু দা বলল-" যাদব দা তোমাকে দুটো কথা বলি। প্রথমতঃ তোমার কণ্ঠসৃষ্ট এই লেখ্যকার শব্দটা ভুল হলেও আমি এটাকে নিচ্ছি। চেষ্টা করব সময় মতো এটিকে ব্যবহার করবার। আর দ্বিতীয়ত বলি আমি কোন লেখক বা লেখ্যকার নই। রোজ অফিস থেকে ফিরে কাগজে একটু হিজিবিজি দাগ কাটি। এক ধরনের বদভ্যাস বলতে পার। তার থেকে তুমি বরং আমাকে সর্বগ্রাসী পাঠক হিসাবে ভাবতে পার। কারণ আমি কিন্তু সব ধরণের বইই গিলতে ভালবাসি।"
এই ফাঁকে উজ্জ্বল টয়লেট থেকে ঘুরে এসে যাদব কে ফ্রেশ হয়ে নিতে বলল। ট্রেন ঘণ্টাখানেক লেটে চলছে। জলগাঁও ষ্টেশন আসতে সাড়ে নটা হবে। উজ্জ্বল এবং ভোদলু দা পাশাপাশি সিটে বসে আলোচনা করতে থাকল নেক্সট প্ল্যান নিয়ে। জলগাঁও ষ্টেশনে নেমে সামান্য কিছু ব্রেকফাস্ট করেই ওদের ওখান থেকে যেতে হবে বাসস্ট্যান্ড। ঔরঙ্গাবাদ যাবার বাস ধরে ওদের যেতে হবে অজন্তা।
সময় লাগতে পারে ঘণ্টাদুয়েক। ইন্টারনেটে সময়সীমার সাথে দুরত্বের সঠিক মিল পাওয়া যায় না। জলগাঁও থেকে অজন্তার দুরত্ব নেটে দেখাচ্ছে ৩০ কিমি। কিন্তু তাহলে সময়সীমা কেন এত বেশি দেখাচ্ছে সেটা বোঝা যাচ্ছে না। যাইহোক ট্রেনের জানলা দিয়ে প্রকৃতি দেখতে দেখতে ওরা পৌঁছে গেল জলগাঁও ষ্টেশন।
ক্রমশ---- খুব শিগগিরই।
পর্ব ৩
সাঁ সাঁ করে চলছে ব্ল্যাক স্করপিওটা। ফুরফুরে মেজাজ এখন তিনজনের। ভোদলু দা গুনগুন করে গান শুরু করেছে ড্রাইভারের পাশের সিটটায় বসে। বাইরে ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি চলছে। তাই সেই বর্ষণমুখর সন্ধ্যায় ভোদলু দা গেয়ে চলেছেন -----
"আজি ঝড় ঝড় মুখর বাদর দিনে
জানিনে জানিনে, কিছুতে কেন যে মন লাগেনা"------
পিছন সিট থেকে উজ্জ্বল বলে উঠল "লাগবে দাদা, আর কয়েকদিন পর যখন বৌদিকে নিয়ে এখানে এসে থাকবে, তখন বেশ ভাল লাগবে। সব কিছুতেই মন লাগবে।"
উজ্জ্বলের পাশের সিটে বসা যাদব পাশ থেকে বেশ সুর করে বলে উঠল-"ভালোই আছ হ্যাঁ, চাকুম চুকুম করে চিকেনের পিস খাচ্ছ, বৃষ্টির মধ্যে গাড়িতে বসে গুনগুন করে গান গাইছ, আমরা আর কি করি বল উজ্জ্বল, আমাদের তো কেউ নাআআআআইই।"
সেই মুহূর্তে ভোদলু দা বলে উঠলেন - "শুধু আমি ভালো আছি না, তোমরাও ভাল আছ। সত্যি কথা বলতে সময়টা ভালো যাচ্ছে, নইলে কেউ আমাদের মতো মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে একটা ডিসিশন নিয়ে এতবড়ো একটা ট্রিপের উদ্দ্যেশে বেরোতে পারে।"
কথাগুলো ভোদলু দা ঠিকই বলেছিলেন। সেদিন হঠাৎ করেই কারেন্ট reservation-এ উজ্জ্বল তিনটে টিকিট পেয়ে গিয়েছিল মহারাষ্ট্রের জলগাঁও ষ্টেশনের। ট্রেন নবজীবন এক্সপ্রেস। মাঞ্চেরিয়াল ষ্টেশনে আসবার সময় রাত ৯টা ২০তে। ট্রেনটি পরেরদিন সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ জলগাঁও ষ্টেশনে পৌছবে। অর্থাৎ এক রাত্রির জার্নি। তা গেস্টহাউসে থাকাকালীন ভোদলু দা যখন চিকেনের লেগপিসে কামড় বসাচ্ছিল তখন উজ্জ্বল এবং যাদবের টেনশন কে দ্যাখে। ওরা ক্রমাগত তাড়া দিতে থাকে ভোদলু দা কে, নইলে সাতটার চেন্নুর-মাঞ্চেরিয়ালগামী বাসটা যে মিস হয়ে যাবে। হলও তাই। ওরা কলোনির গেটের সামনে আসতেই চোখের সামনে দিয়ে বাস ভোকাট্টা হয়ে গেল। যাদব তাচ্ছিল্য স্বরে ভোদলু দাকে বলতে লাগল- "দূর ক্যালা, খাও এবার আরও বেশি করে চিকেন লেগ খাও।" উজ্জ্বল খুব হতাশ হয়ে বলে উঠল "যাহ্ কি হবে এবার? নেক্সট বাস যে আটটার আগে পাব না। সেই বাস যদি আরও লেট করে তাহলে তো ট্রেন পেতে অসুবিধা হবে।"
যাদব বলে উঠল "কি আবার হবে? আমরা সবাই এ যাত্রা বি এ ডি(BAD)বাদ হয়ে যাব।"
"কুছ পরোয়া নেহি" বলতে বলতে ভোদলু দা এগিয়ে গেল বাস রাস্তা বরাবর। একটু দুর থেকে দেখা গেল বসাক স্যারকে আসতে। বসাক স্যার উজ্জ্বলের বস্। বেশ ভাল মিল আছে বস্ ও বসাক। ভোদলু দা'র মাথায় চট করে একটা বুদ্ধি খেলে গেল। ও বুঝতে পারল যে সামনে দিয়ে সোঁ করে গেস্টহাউসের ভেতরে ঢুকে যাওয়া কালো স্করপিও গাড়িটাতে করে নিশ্চয়ই বসাক স্যার এসেছেন। তাই ভোদলু দা স্যারের কাছে গিয়ে বললেন--"বসাক স্যার, একটু যদি বসবার ব্যবস্থা করে দেন ওই গাড়িটাতে তাহলে খুব সুবিধে হয়। আপনি তো ওই গাড়িতেই এলেন তাই না?"
"নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই, তা উজ্জ্বল, শুনলাম তোরা অজন্তা-ইলোরা যাচ্ছিস। খুব ভাল, ঘুরে আয় খুব ভাল করে। দাড়া, গাড়িটাকে ঘুরে আসতে দে আমি বলে দিচ্ছি।"- বসাক বাবু বললেন। গাড়ি আসবার পর ওরা তিনজন বেশ আয়েশ করে গাড়িতে উঠে বসে ও Thank you sir, Thank you sir বলতে বলতে ষ্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
ভোদলু দা বলল - "বসাক স্যারের পদবী সার্থক।"
"কেন?"- উজ্জ্বল জিজ্ঞাসা করল।
"আরে বাবা বসাক থেকে বসে যাক, মানে আমরা বসে গেলাম, মানে ওনার নাম সার্থক হল। কি বুঝলে?"- যাদব বলে উঠল হাসতে হাসতে।
অতঃপর গাড়ি পৌঁছল গীতা ভবন রেস্টুরেন্টের সামনে। মাঞ্চেরিয়াল বাস স্ট্যান্ডের সামনে এই গীতা ভবন রেস্টুরেন্টটা ভীষণ জনপ্রিয়। খুব বড় হল ঘরটি। ভেতরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষও রয়েছে। ওরা তিনজনে রাতে ডিনার সেরে ষ্টেশনের উদ্দ্যেশে রওনা দিল। ঘড়িতে তখন রাত সাড়ে আটটা থেকে পৌনে নটার মধ্যে কোনও এক সময়। মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই ওরা পৌঁছে গেল ষ্টেশনে। ষ্টেশনে এসে জানা গেল নবজীবন এক্সপ্রেস কুঁড়ি মিনিট লেট। অগত্যা কি আর করার। সময় নষ্ট করবার যন্ত্র তো এখন মুঠোফোন। এছাড়া ফেসবুক ও হোআটস্যাপ তো আছেই।
পরের দিন সকালে --------
"এ ক্যালা, ওঠো ওঠো সকাল সাড়ে সাতটা যে বেজে গেছে।" যাদব ভোদলু দা'র উদ্দ্যেশে বলে উঠল।
"আমার প্রাত্যহিক পর্ব সাঙ্গ হইয়াছে।" - ভোদলু দা বললেন।
"ও তুমি তো আবার একজন লেখ্যকার। তাই এরকম সব শব্দ উচ্চারণ করছ। প্রাত্যহিক, সাঙ্গ ইত্যাদি ইত্যাদি।" - যাদব বলল।
পাশ থেকে উজ্জ্বল বলে উঠল- "তা যাদব দা তুমি হলে এটাকে কি বলতে?
"গোদা বাংলায় বলতাম- হেগে এলুম। ওই সব প্রাত্যহিক টাত্যহিক ওসব আমার পোষাত না।" ভোদলু দা বলল-" যাদব দা তোমাকে দুটো কথা বলি। প্রথমতঃ তোমার কণ্ঠসৃষ্ট এই লেখ্যকার শব্দটা ভুল হলেও আমি এটাকে নিচ্ছি। চেষ্টা করব সময় মতো এটিকে ব্যবহার করবার। আর দ্বিতীয়ত বলি আমি কোন লেখক বা লেখ্যকার নই। রোজ অফিস থেকে ফিরে কাগজে একটু হিজিবিজি দাগ কাটি। এক ধরনের বদভ্যাস বলতে পার। তার থেকে তুমি বরং আমাকে সর্বগ্রাসী পাঠক হিসাবে ভাবতে পার। কারণ আমি কিন্তু সব ধরণের বইই গিলতে ভালবাসি।"
এই ফাঁকে উজ্জ্বল টয়লেট থেকে ঘুরে এসে যাদব কে ফ্রেশ হয়ে নিতে বলল। ট্রেন ঘণ্টাখানেক লেটে চলছে। জলগাঁও ষ্টেশন আসতে সাড়ে নটা হবে। উজ্জ্বল এবং ভোদলু দা পাশাপাশি সিটে বসে আলোচনা করতে থাকল নেক্সট প্ল্যান নিয়ে। জলগাঁও ষ্টেশনে নেমে সামান্য কিছু ব্রেকফাস্ট করেই ওদের ওখান থেকে যেতে হবে বাসস্ট্যান্ড। ঔরঙ্গাবাদ যাবার বাস ধরে ওদের যেতে হবে অজন্তা।
সময় লাগতে পারে ঘণ্টাদুয়েক। ইন্টারনেটে সময়সীমার সাথে দুরত্বের সঠিক মিল পাওয়া যায় না। জলগাঁও থেকে অজন্তার দুরত্ব নেটে দেখাচ্ছে ৩০ কিমি। কিন্তু তাহলে সময়সীমা কেন এত বেশি দেখাচ্ছে সেটা বোঝা যাচ্ছে না। যাইহোক ট্রেনের জানলা দিয়ে প্রকৃতি দেখতে দেখতে ওরা পৌঁছে গেল জলগাঁও ষ্টেশন।
ক্রমশ---- খুব শিগগিরই।

Basak Sir tahole Train ta dhoriye dilo!!!!!
ReplyDeleteHa train ta uni dhoriyechilen......
Delete