Let's Go অজন্তা ইলোরা...........
পর্ব ৫
অক্টোবর মাসে রোদ বেশ ঝলমলে এবং প্রখর। তাই বাইরেটা বেশ গরম। কিন্তু গুহার ভেতরে বেশ ঠাণ্ডা। ওরা তিনজনে একে একে পরের পর গুহাগুলো দেখতে লাগল। কোনও কোনও লোককে দেখা গেল ভারী আগ্রহের সঙ্গে তারা গুহার বারান্দার থাম, সিলিং ইত্যাদি দেখছে ও খাতায় কি সব যেন নোট করে নিচ্ছে। কিছু কিছু গুহার মধ্যে অন্ধকার ভাবটা খুব বেশি। খালি চোখে কিছুই ঠাহর করা যাচ্ছে না। তাই ওরা তিনজনে মোবাইলের আলো জ্বেলে গুহার মধ্যে প্রবেশ করল। গুহার মেঝে খুব মসৃণ। আর ভেতরটা বেশ একটা বড় হল ঘরের মত লাগছে। গুহার প্রবেশ পথ থেকে সরাসরি একটা প্রকাণ্ড বুদ্ধমূর্তি দেখা যাচ্ছে। এছাড়া চারপাশের চারদেওয়ালের মধ্যেও অত্যন্ত সুনিপুণভাবে আরও কিছু মূর্তি, পাথর কেটে কেটে বা দেওয়ালের গায়ে খোদাই করে বানানো হয়েছে। হাজার হাজার বছর আগের আর্ট বা শিল্প এখনকার তুলনায় যে অনেক উচ্চতায় এগিয়ে ছিল তা বলাইবাহুল্য। এছাড়া গুহার ভেতরের ছাদের উচ্চতা অনেক। এখনকার একজন গড় উচ্চতার মানুষের মত চারপাঁচজন মানুষের উচ্চতার সমান হয়ত হবে গুহার ভেতরের ছাদ। গুহার রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের কথা মাথায় রেখে গুহার সামনের প্রবেশ দ্বারে বেশ ভাল মজবুত কাঠের দরজার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই গুহার তত্ত্বাবধানে রয়েছে Archeological Survey Of India.
উজ্জ্বল, ভোদলু দা ও যাদব তিনজনেই গুহাগুলির ভেতর ও বাইরের ছবিগুলো কামেরাবন্দী করতে শুরু করল। আগেই বলেছি যাদব ইতিহাসটা বেশ ভালোই জানে তাই ও খানিক সময় নিয়ে গুহার কারুকাজগুলি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখতে লাগল। খানিকক্ষণ পর হঠাৎ করে উজ্জ্বল যাদবকে বলল -"আরে ভোদলু দা'কে দেখা যাচ্ছে না কেন? কোথায় গেল ভোদলু দা?" হ্যাঁ ঠিকই তো। এই সাত নম্বর গুহাটাতে ওরা তিনজনেই তো একসাথে ঢুকেছে আর তাছাড়া মূল দরজার ঠিক পাশে ভোদলুদার জুতো জোড়াও উঁকি মারছে। তাহলে তিনি গেলেন কোথায়? খোঁজ খোঁজ করতে করতে হঠাৎ করেই যাদব দেখে মূল ফটকের পাশে একটা পাথর কাটা খাঁড়াই সিঁড়ি। এত উচ্চতার খাঁড়াই সিঁড়ি ওরা এ জীবনে কোনোদিনও দেখে নি। সিঁড়িগুলোর একেকটা ধাপ প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন ফুট করে হবে। ভোদলু দা সেই সিঁড়ি থেকে প্রায় হামাগুড়ি দেবার মত করে নামছে। পাথরের খাঁজে খাঁজে হাত দিয়ে ধীরে ধীরে নেমে এল ভোদলু দা। যাদব জিজ্ঞাসা করল "কি, হাফরাস্তা গিয়ে চলে আসলে নাকি পুরোটাই উঠেছিলে?"
"হাফরাস্তা কেন যাব? উপরে গিয়েছিলাম। এই গুহাটা দোতলা। দাড়িয়ে কেন তোমরা? যাও। এই আশ্চর্য ইতিহাসকে স্বচক্ষে পরখ করে এস।"
বলামাত্রই উজ্জ্বল এবং যাদব তরতর করে সেই পাথুরে সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় উঠে গেল। ভোদলু দা'র তুলনায় এই দুজনের বডি ফিটনেস অনেকবেশি এ আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আসলে জানেনই তো আপনারা accountant মানুষেরা শরীরের তুলনায় মগজটাকে বেশি প্রয়োগ করে তাই ওর বডি ফিটনেসটা একটু...... হেঁ হেঁ। তাছাড়া ভোদলু দা'র চেহারার মধ্যে বেশ একটা গোলগাল নাদুস নুদুস মার্কা ভেতো বাঙ্গালী টাইপ ইয়ে রয়েছে।
সময় দুপুর ৩টা
প্রতিটি গুহার সামনে একটা বেশ চওড়া করে রাস্তা চলে গেছে আর তার পরের গুহাগুলোর সামনের রাস্তার সাথে যুক্ত হয়েছে। যার ফলে একদম প্রথম গুহা থেকে শুরু করে শেষ গুহা পর্যন্ত রাস্তাটা বিস্তৃত রয়েছে। শেষ গুহাটির প্রবেশ দ্বার বন্ধ। হয়ত সেখানকার পাহাড়ি পথ ঠিক নেই। বেশ কিছু গুহা এরকম রয়েছে যেখানকার ভেতরে পাথুরে কারুকাজগুলি অসমাপ্ত হয়ে পড়ে আছে। যাদবের ভাষায় "INCOMPLETE PROJECT"। এই অসমাপ্ত কাজগুলি দেখলে বোঝা যায় বা খানিকটা আন্দাজ করা যায় যে তখনকার সময়ে পাহাড়ি শিল্পীরা প্রথমে গুহার ছাদের অংশ সম্পূর্ণ করে তারপর ধীরে ধীরে থাম, সিলিং, দেওয়ালের মূর্তি ও সবশেষে গুহার মেঝের কাজ সম্পূর্ণ করত। ওরা শেষের দিকের ওইরকম একটি গুহায় ঢুকল। যাদব ভোদলু দা'কে বলল -"ওই যে দেখেছ গুহার ছাদের অংশটা সম্পূর্ণ ভাবে কারুকাজ করা হয়েছে, কিন্তু সামনের বুদ্ধমূর্তির শুধুমাত্র মুখমণ্ডলটাই তৈরি হয়েছে। দেহের বাকি অংশের কাজ অসমাপ্ত হয়েই পড়ে আছে।"
-"হ্যাঁ ঠিক বলেছ যাদব দা। এই গুহাটার মধ্যে মেঝে বলে তো কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। সমস্ত অংশটাই এবড়ো খেবড়ো পাথুরে অংশে ঢাকা।"- উজ্জ্বল বলে উঠল। তাই শুনে চট করে ভোদলু দা বলে উঠল -"চলো তাহলে গুহার মধ্যের মালভুমিটা একবার না হয় জয় করেই আসি" বলেই তড়িঘড়ি ভোদলু দা তার নাদুসনুদুস গোলগাল চেহারাটা নিয়ে কাঁধের রুকস্যাক ব্যাগটাকে টানতে টানতে সেই উঁচু ঢিবির মতন পাথরের টিলার উপর চড়ে বসল। বেশ একটা রাজ্য জয় করে ফেলেছে এরকম একটা ভাব নিয়ে ভোদলু দা যেই না পরের টিলাটার উপর লাফ মারল ওমনি ব্যাগসমেত পা পিছলে চিৎপটাং। ভাগ্যভাল উজ্জ্বল ভোদলু দা'র বাম হাতটা সটান টেনে ধরেছিল। না হলে হয়েছিল আর কি। একদম পগার পা। অজন্তা পাহাড়ের বুদ্ধমূর্তির পাশে স্থান পেতে বেশি সময় লাগত না। যাদব চেঁচিয়ে বলে উঠল -" এ ক্যালা, তুমি নিজেকে ফেলুদা মনে করো না, তুমি হলে ভোদলু দা, আগে নিজের শরীরের ওজনটা কমাও তারপর ওই লাফালাফি ঝাঁপাঝাপি করো। আরেকটু হলেই তো নিজেকে ইতিহাসের পাতায় পাঠাচ্ছিলে।"
উজ্জ্বল হাসতে হাসতে বলে উঠল -" দাদা আর দু'মাস পর তো বিয়ে। নিজেকে এখনই ছবি করে দিয়োনা।" ভোদলু দা নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বলে উঠল -" হেঁ হেঁ। কেমন তাক লাগিয়ে দিলুম বল তোমাদের! এইরকম কিছু না হলে ঘোরাটা কেমন ম্যাড়ম্যাড়ে হয়ে যায় না? উজ্জ্বল কেমন চার্জড হয়ে আমার হাতটা চেপে ধরল। বেশ একটা রুদ্ধশ্বাস অবস্থা।"
-"দেখাচ্ছি তোমার রুদ্ধশ্বাস অবস্থা।" - এই বলে যাদব তাড়া করল ভোদলু দা'কে। সেই মুহূর্তে ভোদলু দা গুহার ফটকের পাশ দিয়ে পড়িমরি করে দে ছুট। যাদবও ওর পিছনে তেড়ে ছুট লাগাল।
তারপর কি হল???? ধৈর্য ধরতে হবে বস। আসছে............।
পর্ব ৫
অক্টোবর মাসে রোদ বেশ ঝলমলে এবং প্রখর। তাই বাইরেটা বেশ গরম। কিন্তু গুহার ভেতরে বেশ ঠাণ্ডা। ওরা তিনজনে একে একে পরের পর গুহাগুলো দেখতে লাগল। কোনও কোনও লোককে দেখা গেল ভারী আগ্রহের সঙ্গে তারা গুহার বারান্দার থাম, সিলিং ইত্যাদি দেখছে ও খাতায় কি সব যেন নোট করে নিচ্ছে। কিছু কিছু গুহার মধ্যে অন্ধকার ভাবটা খুব বেশি। খালি চোখে কিছুই ঠাহর করা যাচ্ছে না। তাই ওরা তিনজনে মোবাইলের আলো জ্বেলে গুহার মধ্যে প্রবেশ করল। গুহার মেঝে খুব মসৃণ। আর ভেতরটা বেশ একটা বড় হল ঘরের মত লাগছে। গুহার প্রবেশ পথ থেকে সরাসরি একটা প্রকাণ্ড বুদ্ধমূর্তি দেখা যাচ্ছে। এছাড়া চারপাশের চারদেওয়ালের মধ্যেও অত্যন্ত সুনিপুণভাবে আরও কিছু মূর্তি, পাথর কেটে কেটে বা দেওয়ালের গায়ে খোদাই করে বানানো হয়েছে। হাজার হাজার বছর আগের আর্ট বা শিল্প এখনকার তুলনায় যে অনেক উচ্চতায় এগিয়ে ছিল তা বলাইবাহুল্য। এছাড়া গুহার ভেতরের ছাদের উচ্চতা অনেক। এখনকার একজন গড় উচ্চতার মানুষের মত চারপাঁচজন মানুষের উচ্চতার সমান হয়ত হবে গুহার ভেতরের ছাদ। গুহার রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের কথা মাথায় রেখে গুহার সামনের প্রবেশ দ্বারে বেশ ভাল মজবুত কাঠের দরজার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই গুহার তত্ত্বাবধানে রয়েছে Archeological Survey Of India.
উজ্জ্বল, ভোদলু দা ও যাদব তিনজনেই গুহাগুলির ভেতর ও বাইরের ছবিগুলো কামেরাবন্দী করতে শুরু করল। আগেই বলেছি যাদব ইতিহাসটা বেশ ভালোই জানে তাই ও খানিক সময় নিয়ে গুহার কারুকাজগুলি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখতে লাগল। খানিকক্ষণ পর হঠাৎ করে উজ্জ্বল যাদবকে বলল -"আরে ভোদলু দা'কে দেখা যাচ্ছে না কেন? কোথায় গেল ভোদলু দা?" হ্যাঁ ঠিকই তো। এই সাত নম্বর গুহাটাতে ওরা তিনজনেই তো একসাথে ঢুকেছে আর তাছাড়া মূল দরজার ঠিক পাশে ভোদলুদার জুতো জোড়াও উঁকি মারছে। তাহলে তিনি গেলেন কোথায়? খোঁজ খোঁজ করতে করতে হঠাৎ করেই যাদব দেখে মূল ফটকের পাশে একটা পাথর কাটা খাঁড়াই সিঁড়ি। এত উচ্চতার খাঁড়াই সিঁড়ি ওরা এ জীবনে কোনোদিনও দেখে নি। সিঁড়িগুলোর একেকটা ধাপ প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন ফুট করে হবে। ভোদলু দা সেই সিঁড়ি থেকে প্রায় হামাগুড়ি দেবার মত করে নামছে। পাথরের খাঁজে খাঁজে হাত দিয়ে ধীরে ধীরে নেমে এল ভোদলু দা। যাদব জিজ্ঞাসা করল "কি, হাফরাস্তা গিয়ে চলে আসলে নাকি পুরোটাই উঠেছিলে?"
"হাফরাস্তা কেন যাব? উপরে গিয়েছিলাম। এই গুহাটা দোতলা। দাড়িয়ে কেন তোমরা? যাও। এই আশ্চর্য ইতিহাসকে স্বচক্ষে পরখ করে এস।"
বলামাত্রই উজ্জ্বল এবং যাদব তরতর করে সেই পাথুরে সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় উঠে গেল। ভোদলু দা'র তুলনায় এই দুজনের বডি ফিটনেস অনেকবেশি এ আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আসলে জানেনই তো আপনারা accountant মানুষেরা শরীরের তুলনায় মগজটাকে বেশি প্রয়োগ করে তাই ওর বডি ফিটনেসটা একটু...... হেঁ হেঁ। তাছাড়া ভোদলু দা'র চেহারার মধ্যে বেশ একটা গোলগাল নাদুস নুদুস মার্কা ভেতো বাঙ্গালী টাইপ ইয়ে রয়েছে।
সময় দুপুর ৩টা
প্রতিটি গুহার সামনে একটা বেশ চওড়া করে রাস্তা চলে গেছে আর তার পরের গুহাগুলোর সামনের রাস্তার সাথে যুক্ত হয়েছে। যার ফলে একদম প্রথম গুহা থেকে শুরু করে শেষ গুহা পর্যন্ত রাস্তাটা বিস্তৃত রয়েছে। শেষ গুহাটির প্রবেশ দ্বার বন্ধ। হয়ত সেখানকার পাহাড়ি পথ ঠিক নেই। বেশ কিছু গুহা এরকম রয়েছে যেখানকার ভেতরে পাথুরে কারুকাজগুলি অসমাপ্ত হয়ে পড়ে আছে। যাদবের ভাষায় "INCOMPLETE PROJECT"। এই অসমাপ্ত কাজগুলি দেখলে বোঝা যায় বা খানিকটা আন্দাজ করা যায় যে তখনকার সময়ে পাহাড়ি শিল্পীরা প্রথমে গুহার ছাদের অংশ সম্পূর্ণ করে তারপর ধীরে ধীরে থাম, সিলিং, দেওয়ালের মূর্তি ও সবশেষে গুহার মেঝের কাজ সম্পূর্ণ করত। ওরা শেষের দিকের ওইরকম একটি গুহায় ঢুকল। যাদব ভোদলু দা'কে বলল -"ওই যে দেখেছ গুহার ছাদের অংশটা সম্পূর্ণ ভাবে কারুকাজ করা হয়েছে, কিন্তু সামনের বুদ্ধমূর্তির শুধুমাত্র মুখমণ্ডলটাই তৈরি হয়েছে। দেহের বাকি অংশের কাজ অসমাপ্ত হয়েই পড়ে আছে।"
-"হ্যাঁ ঠিক বলেছ যাদব দা। এই গুহাটার মধ্যে মেঝে বলে তো কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। সমস্ত অংশটাই এবড়ো খেবড়ো পাথুরে অংশে ঢাকা।"- উজ্জ্বল বলে উঠল। তাই শুনে চট করে ভোদলু দা বলে উঠল -"চলো তাহলে গুহার মধ্যের মালভুমিটা একবার না হয় জয় করেই আসি" বলেই তড়িঘড়ি ভোদলু দা তার নাদুসনুদুস গোলগাল চেহারাটা নিয়ে কাঁধের রুকস্যাক ব্যাগটাকে টানতে টানতে সেই উঁচু ঢিবির মতন পাথরের টিলার উপর চড়ে বসল। বেশ একটা রাজ্য জয় করে ফেলেছে এরকম একটা ভাব নিয়ে ভোদলু দা যেই না পরের টিলাটার উপর লাফ মারল ওমনি ব্যাগসমেত পা পিছলে চিৎপটাং। ভাগ্যভাল উজ্জ্বল ভোদলু দা'র বাম হাতটা সটান টেনে ধরেছিল। না হলে হয়েছিল আর কি। একদম পগার পা। অজন্তা পাহাড়ের বুদ্ধমূর্তির পাশে স্থান পেতে বেশি সময় লাগত না। যাদব চেঁচিয়ে বলে উঠল -" এ ক্যালা, তুমি নিজেকে ফেলুদা মনে করো না, তুমি হলে ভোদলু দা, আগে নিজের শরীরের ওজনটা কমাও তারপর ওই লাফালাফি ঝাঁপাঝাপি করো। আরেকটু হলেই তো নিজেকে ইতিহাসের পাতায় পাঠাচ্ছিলে।"
উজ্জ্বল হাসতে হাসতে বলে উঠল -" দাদা আর দু'মাস পর তো বিয়ে। নিজেকে এখনই ছবি করে দিয়োনা।" ভোদলু দা নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বলে উঠল -" হেঁ হেঁ। কেমন তাক লাগিয়ে দিলুম বল তোমাদের! এইরকম কিছু না হলে ঘোরাটা কেমন ম্যাড়ম্যাড়ে হয়ে যায় না? উজ্জ্বল কেমন চার্জড হয়ে আমার হাতটা চেপে ধরল। বেশ একটা রুদ্ধশ্বাস অবস্থা।"
-"দেখাচ্ছি তোমার রুদ্ধশ্বাস অবস্থা।" - এই বলে যাদব তাড়া করল ভোদলু দা'কে। সেই মুহূর্তে ভোদলু দা গুহার ফটকের পাশ দিয়ে পড়িমরি করে দে ছুট। যাদবও ওর পিছনে তেড়ে ছুট লাগাল।
তারপর কি হল???? ধৈর্য ধরতে হবে বস। আসছে............।

Please mention your comment..............
ReplyDelete