Let's Go অজন্তা ইলোরা
পর্ব ৬
কিছুক্ষণ দৌড়ানোর পর ভোদলু দা'র অবস্থা কাহিল। একে সারাদিনে প্রায় না খেয়ে থাকা। সম্বল বলতে বোতলে জল তাও প্রায় শেষ। তাই কিছুক্ষণ দৌড়ানোর পর ভোদলু দা চেঁচিয়ে বলতে থাকল "জল দাও, জল দাও কে কোথায় আছো, আমায় একটু জল দাও।" আশেপাশের লোকজন ভোদলু দা'র এরকম পাগলের মতো চেঁচানো দেখে যারপরনাই বিরক্ত ও একটু অবাক হল। ভাবল এ ভদ্রলোকটা এরকম কেন করছে। ও কি গরমে পাগল হয়ে গেল। সবচেয়ে হতবাক হয়ে গেল যাদব এবং উজ্জ্বল। ওরা হঠাৎ করে দৌড়ানও বন্ধ করে দিল। মনে মনে ভাবল এ এ তো শালা হেবি সেয়ানা পাগল। যাতে আমরা গিয়ে ওকে না ধরতে পারি সেই জন্য নাটকবাজি শুরু করেছে। যাদব তখন দূর থেকে চেঁচিয়ে ভোদলু দা'কে বলল - "এই যে শুধু জল নয়, আমাদের কাছে ফলটলও আছে। খাবে তো জলদী এস না হলে এ যাত্রায় তুমি বি এ ডি বাদ হয়ে যাবে।"
-"আপ লোগ যাইয়ে যাইয়ে, ম্যায় বিলকুল ঠিক হু" বলতে বলতে ভোদলু দা সুড় সুড় করে যাদব এবং উজ্জ্বলের দিকে হাঁটা লাগাল। যাদব বিড়বিড় করে উজ্জ্বলকে বলল "একদম দাঁড়াবে না। ব্যাটা আমাদের ভেল্কি দেখাল এবার আমরাও একটু ভেল্কি দেখাই। ওই দেখ ওই গুহাটার পাশ দিয়ে গলিটা। কেমন ভুল্ভুলাইয়া টাইপের দেখতে। চল তাড়াতাড়ি ওই দিকটায়। ও ব্যাটা একটু নাকানি চোবানি খাক।"
-"যাদব দা ওই খাঁড়াই সিঁড়িটা দিয়ে চল উঠে পরি। তারপর ওই ফাঁকা বারান্দা মতো জায়গা দিয়ে গিয়ে আবার ওই সিঁড়ি দিয়ে আসলে এখানেই এসে পড়ব। ভোদলু দা'কে এই বেলা না হয় একটু দৌড় করাই।" উজ্জ্বল বলল।
-"হ্যাঁ চলো, তবে তাই হোক। চলো তাড়াতাড়ি।"
ভোদলু দা কিছুক্ষণ ওদের পেছন পেছন হাঁটবার পর হঠাৎ করে দাড়িয়ে গেল। ভাবল এদের দুজনের রগড়টা একটু না হয় দেখাই যাক। ঠিক তাই। ও যেমন ভাবল ঠিক সেরকমই ঘটল। যাদব এবং উজ্জ্বল দুজনেই ওই সিঁড়িটা দিয়ে আবার আগের রাস্তাতেই আসতে লাগল। সেইসময় ভোদলু দা এক ফন্দি আঁটল। ও চট করে সিঁড়ির পাশে একটু ফাঁকা জায়গাটাতে চলে গেল। সেই ফাঁকা জায়গাটাতে একটি পিলারের পাশে চুপটি করে দাঁড়িয়ে রইল। যাদব এবং উজ্জ্বল তাড়াতাড়ি সিঁড়ি দিয়ে নামতে লাগল। সিঁড়ি দিয়ে নেমে এসে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে একে অপরকে জিজ্ঞাসা করল যে ভোদলু দা আসছে না কেন। আর বেশিমাত্র অপেক্ষা না করে ওরা দুজন যেই না সিঁড়ির পাশে ফাঁকা জায়গাটার পিলারের কাছে গিয়ে দাঁড়াল ওমনি যাদবের পিঠের মধ্যে সপাটে এক ধাক্কা মেরে কে যেন বলে উঠল "ধপ্পা"। আরে কে ও? এ যে ভোদলু দা। যাদব এবং উজ্জ্বলের তো একদম বুক ধড়ফড় করে উঠল। অবাক বিস্ময়ে যাদব ভোদলু দা'কে বলল - "ভালোই আছো হ্যাঁ? এখন আবার আমাদের সাথে লুকোচুরি খেলাও শুরু করলে?"
-"দাদা বোধহয় আমাদের প্ল্যান শুনতে পেয়েছিল।" উজ্জ্বল বলল।
-"না প্ল্যান শুনতে নয়, আন্দাজ করেছিলুম যে এরকম কিছু হতে পারে। তা কেমন দিলুম বল? ঘোরবার মজাটা পাচ্ছ কিনা বল?"
-"ঠিক আছে মজা অনেক হয়েছে দাদা। চল এবার এই গুহার পাশের রাস্তাটার ধারে বসে বরং কিছু খেয়ে নেওয়া যাক।" উজ্জ্বল বলল।
-"সঙ্গে কি কি আছে?"
-"আপেল, কলা, শাখাআলু আর বিস্কুট।"
-"একদম, জমে যাবে। বার করো। বসি এখানে?"
-"কিন্তু খাবার পর এই ফলের খোসা আর বিস্কুটের প্যাকেট কোথায় ফেলবে? এখানে তো দেখতে পেলে প্রবলেম হতে পারে।"
-"ফলের খোসাগুলো বিস্কুটের প্যাকেটের মধ্যে ভরে নেব। তারপর কোনও ডাস্টবিন নিশ্চয়ই কাছাকাছি কোথাও থাকবে। সেখানে ফেলে দেব।"
এই বলে ওরা তিনজনে সেই গুহার পাশে যাওয়া রাস্তাটার ধারে বসে বিস্কুট সহ ফলাহার করতে লাগল।
আরও কিছুক্ষণ পর............
অজন্তা গুহা পরিদর্শন শেষ। কাছাকাছি কোথাও একটা ঝরনা আছে এটা জানতে পেরে ভোদলু দা ও তার টিম খুব তাড়াতাড়ি পাহাড়ি পথটা ঘুরে ঘুরে নামতে লাগল। এই গুহার রাস্তার শেষ দিকটা বেশ মসৃণ এবং একেবারে প্রায় সমতলের সঙ্গে মিশেছে। সেইখানে যাওয়ার পর ওরা দেখে একটা রেলিং দেওয়া রাস্তা পাহাড়ের গা বেঁয়ে নীচ দিকে বেশ খানিকটা গেছে। সেই রেলিং ঘেরা রাস্তাটার পাশে একটা জলাধার। যেখানে জলের স্রোত বয়ে চলেছে। ওরা সেই রাস্তার একদম কোণে গিয়ে দেখতে পায় সেই ঝরনার দৃশ্য। জলের পরিমাণটা কম হওয়ার জন্য হয়ত সৌন্দর্য কিছুটা হলেও কম। তবুও ঝিরি ঝিরি ঝরনার একটা আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে। প্রকৃতি বড়ই অপরুপা। দুই দিক দিয়ে দুটো পাহাড়ের মিল হয়েছে যে জায়গায় সেখান থেকে ঝরনার জল বেরিয়ে আসছে। এইরকম এক অপূর্ব দৃশ্যকে ক্যামেরাবন্দি করবার অভিপ্রায় নিয়ে যাদব ভোদলু দা'কে উদ্দেশ্য করে বলল - "ওই রেলিংটাতে এক হাত দিয়ে দাড়াও দেখি। আর তোমার ডান হাতটাকে এমনভাবে রাখো যাতে দূর থেকে মনে হয় ঝরনার জলটাকে তুমি হাত দিয়ে ধরে তা পান করবে। এইরকম একটা পোজ নিয়ে দাড়াও।"
ভোদলু দা খুব সুন্দর করে হাতটাকে রাখল কামেরার সামনে যাতে দেখে মনে হল ঝরনার জল ভোদলু দা'র হাতে এসে পড়ছে এবং ও সেটা পান করবার জন্য উদ্যত হয়ে আছে।
-"হ্যাঁ হ্যাঁ এই তো একদম ঠিক আছে।" উজ্জ্বল বলল।
তারপর.........
তারপর গল্প কোন দিকে এগোবে সেটা ভাবছেন তো আপনারা? কোনদিকে আবার? অজন্তা গুহা থেকে বেরোনো এবং ঔরঙ্গাবাদের উদ্দ্যেশে রওয়ানা দেওয়া। যেমনি ভাবা তেমনি কাজ। কিন্তু একটু রয়ে সয়ে। ভাবছেন তো এদের কি খিদেটিদে পায় না। সামান্য ফলাহার করেই কাটিয়ে দেবে তিনটে সমর্থ জোয়ান। আজ্ঞে না, অজন্তা গুহা থেকে নেমে ওরা চলে গেল টিকিট কাউনটারের সাথে লাগোয়া রেস্তোরাঁতে। তিনজন মিলে ভালো করে আয়েশ করে খেয়ে, মাঝরাস্তা থেকে একটা খালি SWIFT DEZIRE ভাঁড়া করে ওরা ঔরঙ্গাবাদের উদ্দ্যেশে রওনা দিল। কপালটা তিনজনেরই খুব ভালো ছিল বলতে হবে। মাত্র ৫০০ টাকায় রাজী হয়ে গেল গাড়ীর ড্রাইভার ঔরঙ্গাবাদ যাওয়ার জন্য। এরকম সুবর্ণ সুযোগ কে আর হাতছাড়া করে। এর পরের উদ্দেশ্য ঔরঙ্গাবাদে কোনও হোটেলে রাত কাটিয়ে পরের দিন সকাল থেকে পুরো ঔরঙ্গাবাদ শহরটাকে দেখা। বলাইবাহুল্য ওদের উদ্দেশ্য এ বারেও বেশ ভালোরকম ভাবে সফল হয়েছিল।
পর্ব ৬
কিছুক্ষণ দৌড়ানোর পর ভোদলু দা'র অবস্থা কাহিল। একে সারাদিনে প্রায় না খেয়ে থাকা। সম্বল বলতে বোতলে জল তাও প্রায় শেষ। তাই কিছুক্ষণ দৌড়ানোর পর ভোদলু দা চেঁচিয়ে বলতে থাকল "জল দাও, জল দাও কে কোথায় আছো, আমায় একটু জল দাও।" আশেপাশের লোকজন ভোদলু দা'র এরকম পাগলের মতো চেঁচানো দেখে যারপরনাই বিরক্ত ও একটু অবাক হল। ভাবল এ ভদ্রলোকটা এরকম কেন করছে। ও কি গরমে পাগল হয়ে গেল। সবচেয়ে হতবাক হয়ে গেল যাদব এবং উজ্জ্বল। ওরা হঠাৎ করে দৌড়ানও বন্ধ করে দিল। মনে মনে ভাবল এ এ তো শালা হেবি সেয়ানা পাগল। যাতে আমরা গিয়ে ওকে না ধরতে পারি সেই জন্য নাটকবাজি শুরু করেছে। যাদব তখন দূর থেকে চেঁচিয়ে ভোদলু দা'কে বলল - "এই যে শুধু জল নয়, আমাদের কাছে ফলটলও আছে। খাবে তো জলদী এস না হলে এ যাত্রায় তুমি বি এ ডি বাদ হয়ে যাবে।"
-"আপ লোগ যাইয়ে যাইয়ে, ম্যায় বিলকুল ঠিক হু" বলতে বলতে ভোদলু দা সুড় সুড় করে যাদব এবং উজ্জ্বলের দিকে হাঁটা লাগাল। যাদব বিড়বিড় করে উজ্জ্বলকে বলল "একদম দাঁড়াবে না। ব্যাটা আমাদের ভেল্কি দেখাল এবার আমরাও একটু ভেল্কি দেখাই। ওই দেখ ওই গুহাটার পাশ দিয়ে গলিটা। কেমন ভুল্ভুলাইয়া টাইপের দেখতে। চল তাড়াতাড়ি ওই দিকটায়। ও ব্যাটা একটু নাকানি চোবানি খাক।"
-"যাদব দা ওই খাঁড়াই সিঁড়িটা দিয়ে চল উঠে পরি। তারপর ওই ফাঁকা বারান্দা মতো জায়গা দিয়ে গিয়ে আবার ওই সিঁড়ি দিয়ে আসলে এখানেই এসে পড়ব। ভোদলু দা'কে এই বেলা না হয় একটু দৌড় করাই।" উজ্জ্বল বলল।
-"হ্যাঁ চলো, তবে তাই হোক। চলো তাড়াতাড়ি।"
ভোদলু দা কিছুক্ষণ ওদের পেছন পেছন হাঁটবার পর হঠাৎ করে দাড়িয়ে গেল। ভাবল এদের দুজনের রগড়টা একটু না হয় দেখাই যাক। ঠিক তাই। ও যেমন ভাবল ঠিক সেরকমই ঘটল। যাদব এবং উজ্জ্বল দুজনেই ওই সিঁড়িটা দিয়ে আবার আগের রাস্তাতেই আসতে লাগল। সেইসময় ভোদলু দা এক ফন্দি আঁটল। ও চট করে সিঁড়ির পাশে একটু ফাঁকা জায়গাটাতে চলে গেল। সেই ফাঁকা জায়গাটাতে একটি পিলারের পাশে চুপটি করে দাঁড়িয়ে রইল। যাদব এবং উজ্জ্বল তাড়াতাড়ি সিঁড়ি দিয়ে নামতে লাগল। সিঁড়ি দিয়ে নেমে এসে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে একে অপরকে জিজ্ঞাসা করল যে ভোদলু দা আসছে না কেন। আর বেশিমাত্র অপেক্ষা না করে ওরা দুজন যেই না সিঁড়ির পাশে ফাঁকা জায়গাটার পিলারের কাছে গিয়ে দাঁড়াল ওমনি যাদবের পিঠের মধ্যে সপাটে এক ধাক্কা মেরে কে যেন বলে উঠল "ধপ্পা"। আরে কে ও? এ যে ভোদলু দা। যাদব এবং উজ্জ্বলের তো একদম বুক ধড়ফড় করে উঠল। অবাক বিস্ময়ে যাদব ভোদলু দা'কে বলল - "ভালোই আছো হ্যাঁ? এখন আবার আমাদের সাথে লুকোচুরি খেলাও শুরু করলে?"
-"দাদা বোধহয় আমাদের প্ল্যান শুনতে পেয়েছিল।" উজ্জ্বল বলল।
-"না প্ল্যান শুনতে নয়, আন্দাজ করেছিলুম যে এরকম কিছু হতে পারে। তা কেমন দিলুম বল? ঘোরবার মজাটা পাচ্ছ কিনা বল?"
-"ঠিক আছে মজা অনেক হয়েছে দাদা। চল এবার এই গুহার পাশের রাস্তাটার ধারে বসে বরং কিছু খেয়ে নেওয়া যাক।" উজ্জ্বল বলল।
-"সঙ্গে কি কি আছে?"
-"আপেল, কলা, শাখাআলু আর বিস্কুট।"
-"একদম, জমে যাবে। বার করো। বসি এখানে?"
-"কিন্তু খাবার পর এই ফলের খোসা আর বিস্কুটের প্যাকেট কোথায় ফেলবে? এখানে তো দেখতে পেলে প্রবলেম হতে পারে।"
-"ফলের খোসাগুলো বিস্কুটের প্যাকেটের মধ্যে ভরে নেব। তারপর কোনও ডাস্টবিন নিশ্চয়ই কাছাকাছি কোথাও থাকবে। সেখানে ফেলে দেব।"
এই বলে ওরা তিনজনে সেই গুহার পাশে যাওয়া রাস্তাটার ধারে বসে বিস্কুট সহ ফলাহার করতে লাগল।
আরও কিছুক্ষণ পর............
অজন্তা গুহা পরিদর্শন শেষ। কাছাকাছি কোথাও একটা ঝরনা আছে এটা জানতে পেরে ভোদলু দা ও তার টিম খুব তাড়াতাড়ি পাহাড়ি পথটা ঘুরে ঘুরে নামতে লাগল। এই গুহার রাস্তার শেষ দিকটা বেশ মসৃণ এবং একেবারে প্রায় সমতলের সঙ্গে মিশেছে। সেইখানে যাওয়ার পর ওরা দেখে একটা রেলিং দেওয়া রাস্তা পাহাড়ের গা বেঁয়ে নীচ দিকে বেশ খানিকটা গেছে। সেই রেলিং ঘেরা রাস্তাটার পাশে একটা জলাধার। যেখানে জলের স্রোত বয়ে চলেছে। ওরা সেই রাস্তার একদম কোণে গিয়ে দেখতে পায় সেই ঝরনার দৃশ্য। জলের পরিমাণটা কম হওয়ার জন্য হয়ত সৌন্দর্য কিছুটা হলেও কম। তবুও ঝিরি ঝিরি ঝরনার একটা আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে। প্রকৃতি বড়ই অপরুপা। দুই দিক দিয়ে দুটো পাহাড়ের মিল হয়েছে যে জায়গায় সেখান থেকে ঝরনার জল বেরিয়ে আসছে। এইরকম এক অপূর্ব দৃশ্যকে ক্যামেরাবন্দি করবার অভিপ্রায় নিয়ে যাদব ভোদলু দা'কে উদ্দেশ্য করে বলল - "ওই রেলিংটাতে এক হাত দিয়ে দাড়াও দেখি। আর তোমার ডান হাতটাকে এমনভাবে রাখো যাতে দূর থেকে মনে হয় ঝরনার জলটাকে তুমি হাত দিয়ে ধরে তা পান করবে। এইরকম একটা পোজ নিয়ে দাড়াও।"
ভোদলু দা খুব সুন্দর করে হাতটাকে রাখল কামেরার সামনে যাতে দেখে মনে হল ঝরনার জল ভোদলু দা'র হাতে এসে পড়ছে এবং ও সেটা পান করবার জন্য উদ্যত হয়ে আছে।
-"হ্যাঁ হ্যাঁ এই তো একদম ঠিক আছে।" উজ্জ্বল বলল।
তারপর.........
তারপর গল্প কোন দিকে এগোবে সেটা ভাবছেন তো আপনারা? কোনদিকে আবার? অজন্তা গুহা থেকে বেরোনো এবং ঔরঙ্গাবাদের উদ্দ্যেশে রওয়ানা দেওয়া। যেমনি ভাবা তেমনি কাজ। কিন্তু একটু রয়ে সয়ে। ভাবছেন তো এদের কি খিদেটিদে পায় না। সামান্য ফলাহার করেই কাটিয়ে দেবে তিনটে সমর্থ জোয়ান। আজ্ঞে না, অজন্তা গুহা থেকে নেমে ওরা চলে গেল টিকিট কাউনটারের সাথে লাগোয়া রেস্তোরাঁতে। তিনজন মিলে ভালো করে আয়েশ করে খেয়ে, মাঝরাস্তা থেকে একটা খালি SWIFT DEZIRE ভাঁড়া করে ওরা ঔরঙ্গাবাদের উদ্দ্যেশে রওনা দিল। কপালটা তিনজনেরই খুব ভালো ছিল বলতে হবে। মাত্র ৫০০ টাকায় রাজী হয়ে গেল গাড়ীর ড্রাইভার ঔরঙ্গাবাদ যাওয়ার জন্য। এরকম সুবর্ণ সুযোগ কে আর হাতছাড়া করে। এর পরের উদ্দেশ্য ঔরঙ্গাবাদে কোনও হোটেলে রাত কাটিয়ে পরের দিন সকাল থেকে পুরো ঔরঙ্গাবাদ শহরটাকে দেখা। বলাইবাহুল্য ওদের উদ্দেশ্য এ বারেও বেশ ভালোরকম ভাবে সফল হয়েছিল।

কার কার কেমন লাগল এই পর্বটি পড়ে জানাবেন।
ReplyDelete