মিশন
সান্দাকফু - দশম
ও
শেষ
পর্ব
সান্দাকফু জয়
ও
কাঞ্চনজঙ্ঘা
একটা
পাহাড়ী টিলার
পাশে
বসে
রয়েছে
সর্বাশীষ ও
সঞ্জীব। একটু
দূরে
ক্যামেরা হাতে
নিয়ে
দাড়িয়ে আছে
তন্ময়। ক্যামেরাটা আমার
দিকে
তাক
করা।
আমার
কয়েকটা বিধ্বস্ত মুহূর্তকে আটক
করেছে
বুঝতে
পারলাম। ওদের
কাছে
গিয়ে
হাতের
লাঠিটাকে রাস্তার এক
পাশে
শুইয়ে
রেখে
পাহাড়ী পাঁচিলটার উপর
হেলান
দিয়ে
দাড়ালাম। পাশ
থেকে
সর্বাশীষ জিজ্ঞাসা করল
যে
আমি
কেন
বিড়বিড় করছিলাম। কার
সাথে
কথা
বলছিলাম আমি।
আসলে
ওরা
অনেকক্ষণ ধরে
বোধহয়
আমাকে
লক্ষ
করছিল।
আমি
কোনো
জবাব
না
দিয়ে
মেঘের
সমুদ্র
দেখতে
থাকলাম। ওপরে
নীল
আকাশ
একদম
ঝকঝকে।
তার
ঠিক
নীচে
মেঘের
স্তর।
পাহাড়ের গায়ে
এসে
এমনভাবে ধাক্কা
মারছে
যাতে
দেখে
মনে
হচ্ছে
যেন
সমুদ্র
তীরে
এসে
আছড়ে
পড়ছে।
সেই
দৃশ্য
আমি
এ
জীবনে
ভুলব
না।
আরও
কিছুক্ষণ চলবার
পর
----------
- প্রেম ভাই
কাঞ্চনজঙ্ঘা উঁকি
দিচ্ছে। সঞ্জীব
বলল।
পাশ
থেকে
তন্ময়
বলল
' যাক
তাহলে
কাঞ্চন
বাবু
দয়া
করেছেন।'
- এই প্রেমাংশু ওই দিকটা ঘুরে দাড়া। হ্যাঁ হ্যাঁ পাহাড়ের দিকটা পিঠ দিয়ে আকাশের দিকটা মুখ করে। হ্যাঁ হ্যাঁ ঠিক আছে। সর্বাশীষ বলল আমাকে।
আসলে ঐ স্বর্গীয় মুহূর্তগুলি আমরা আর ছাড়তে পারছিলাম না। কাঞ্চনজঙ্ঘা, মেঘের খেলা, পাহাড়ী বাঁক, মনাস্ট্রী যা যা সেইসময় চোখের সামনে দেখছিলাম সবই ক্যামেরা বন্দি করা হচ্ছিল। একসময় চলতে চলতে হঠাত্ করে ওপরের দিকে চাইতে দেখতে পেলাম কটেজের মতো কিছু একটা দৃশ্যমান হচ্ছে। আমাদের গন্তব্য এখন ওটাই। ওটাই পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ স্থান, সান্দাকফু। ওখানে পৌছে ঐ কটেজগুলোতে আমাদের থাকতে হবে। GORKHALAND TERRITORIAL ADMINISTRATION দ্বারা গঠিত ওই কটেজগুলো। সান্দাকফু দার্জিলিং সাব ডিভিশনের আন্ডারে।
হাঁটার স্পিড যেন একটু বেড়ে গেল। আসলে গন্তব্যস্থলকে চোখের সামনে দেখার পর মানুষের মধ্যে সেটাকে জয় করবার একটা অদম্য ইচ্ছে বোধহয় সেই মুহূর্তে জেগে ওঠে। আমরা আবার নতুন উদ্যমে হাঁটতে লাগলাম। শতদল বোধহয় এতক্ষণে সান্দাকফুর কটেজে পৌছে বিশ্রাম নিচ্ছে। আমরা চারজনে চলেছি একা একা। আশে পাশে আরও ট্রেকিং টিমের ছেলে মেয়েরা চলছে আমাদের সাথে সাথে। কেউ কেউ শর্টরুটগুলো ধরে নিচ্ছে আরও তাড়াতাড়ি পৌঁছানোর জন্য। গাইড বা পোর্টারগুলো ভারি ভারি ব্যাগ নিয়ে শর্টরুটেই বেশি যাতায়াত করে। যার জন্য বুদ্ধ এবং যোগেনকে আর দেখা গেল না। মেন রাস্তাটা আরও খাঁড়াই হতে থাকছে। আর রাস্তার মধ্যে এখন দেখতে পাচ্ছি শুধুই পাথরের বোল্ডার আর বোল্ডার। সেইজন্য আরও কষ্টকর হচ্ছিল আমাদের উপরে উঠতে। হাতে লাঠি থাকায় বোল্ডারগুলোর খাঁজে খাঁজে সেটিকে আটকে আটকে আমরা এগোচ্ছি। একমুহূর্তে মনে হচ্ছে আর বোধহয় এগোতে পারব না। আবার পরমুহূর্তে যখনই মাথার উপরে সেই GTA এর কটেজটাকে দেখছি তখনই হাঁটার গতিবেগ বাড়িয়ে এগিয়ে চলছি। হাঁফ ধরে আসছে, শরীর ক্লান্ত, অবসন্ন, জিভটা শুকিয়ে রয়েছে। মুখের ভেতরটা কেমন টকটক, বিস্বাদ লাগছে। পকেটে হাত দিলাম, না লজেন্স বা বাবুলগাম কিছু নেই। সব শেষ। আছে শুধু চোখের সামনে সেই কটেজটা। আমাদের লক্ষ্যবস্তু। অভীষ্ট লাভের ইচ্ছায় এগিয়ে চলেছি। আরও একটা পাহাড়ী বাঁক অতিক্রম করবার পর দেখতে পেলাম সেই ফলকটা। যাতে "সান্দাকফু" শব্দটি লেখা। যাকে নিয়ে আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম লেখা সমেত পাথরের খোদাই করা ফলকটিকে ধরে আমি ছবি তুলছি। হলও তাই। আমি এবং সর্বাশীষ একবার একবার করে সেই ফলকটাকে ছুঁয়ে ফটো তুললাম। সেই মুহূর্তে যে আনন্দটা পেয়েছিলাম তা ঠিক ভাষায় প্রকাশ করবার মতো নয়। মনে হচ্ছিল কোন রাজ্য জয় করে ফেলেছি। অনুভব করলাম কেন ছন্দা গায়েন, বসন্ত সিংহরায়ের মতো শৃঙ্গজয়ীরা বারবার পাহাড়ে ছুটে আসেন। পৃথিবীর যে কোনো শৃঙ্গই বোধহয় ট্রেকারদের এরকমভাবে এক অমোঘ আকর্ষণের মাধ্যমে নিজের কাছে টেনে নিয়ে যায়। ভেবে অবাক হচ্ছিলাম এই পাহাড়, শৃঙ্গ,প্রকৃতি এদের কি অসম্ভব সম্মোহনী ক্ষমতা। আমরা মানুষেরা বোধহয় শৃঙ্গ জয় করিনা, শৃঙ্গই আসলে আমাদের পরাজিত করে ওদের কাছে আকর্ষণ করে। আমরাই ওদের কাছে বশ্যতা স্বীকার করি।
- এই প্রেমাংশু ওই দিকটা ঘুরে দাড়া। হ্যাঁ হ্যাঁ পাহাড়ের দিকটা পিঠ দিয়ে আকাশের দিকটা মুখ করে। হ্যাঁ হ্যাঁ ঠিক আছে। সর্বাশীষ বলল আমাকে।
আসলে ঐ স্বর্গীয় মুহূর্তগুলি আমরা আর ছাড়তে পারছিলাম না। কাঞ্চনজঙ্ঘা, মেঘের খেলা, পাহাড়ী বাঁক, মনাস্ট্রী যা যা সেইসময় চোখের সামনে দেখছিলাম সবই ক্যামেরা বন্দি করা হচ্ছিল। একসময় চলতে চলতে হঠাত্ করে ওপরের দিকে চাইতে দেখতে পেলাম কটেজের মতো কিছু একটা দৃশ্যমান হচ্ছে। আমাদের গন্তব্য এখন ওটাই। ওটাই পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ স্থান, সান্দাকফু। ওখানে পৌছে ঐ কটেজগুলোতে আমাদের থাকতে হবে। GORKHALAND TERRITORIAL ADMINISTRATION দ্বারা গঠিত ওই কটেজগুলো। সান্দাকফু দার্জিলিং সাব ডিভিশনের আন্ডারে।
হাঁটার স্পিড যেন একটু বেড়ে গেল। আসলে গন্তব্যস্থলকে চোখের সামনে দেখার পর মানুষের মধ্যে সেটাকে জয় করবার একটা অদম্য ইচ্ছে বোধহয় সেই মুহূর্তে জেগে ওঠে। আমরা আবার নতুন উদ্যমে হাঁটতে লাগলাম। শতদল বোধহয় এতক্ষণে সান্দাকফুর কটেজে পৌছে বিশ্রাম নিচ্ছে। আমরা চারজনে চলেছি একা একা। আশে পাশে আরও ট্রেকিং টিমের ছেলে মেয়েরা চলছে আমাদের সাথে সাথে। কেউ কেউ শর্টরুটগুলো ধরে নিচ্ছে আরও তাড়াতাড়ি পৌঁছানোর জন্য। গাইড বা পোর্টারগুলো ভারি ভারি ব্যাগ নিয়ে শর্টরুটেই বেশি যাতায়াত করে। যার জন্য বুদ্ধ এবং যোগেনকে আর দেখা গেল না। মেন রাস্তাটা আরও খাঁড়াই হতে থাকছে। আর রাস্তার মধ্যে এখন দেখতে পাচ্ছি শুধুই পাথরের বোল্ডার আর বোল্ডার। সেইজন্য আরও কষ্টকর হচ্ছিল আমাদের উপরে উঠতে। হাতে লাঠি থাকায় বোল্ডারগুলোর খাঁজে খাঁজে সেটিকে আটকে আটকে আমরা এগোচ্ছি। একমুহূর্তে মনে হচ্ছে আর বোধহয় এগোতে পারব না। আবার পরমুহূর্তে যখনই মাথার উপরে সেই GTA এর কটেজটাকে দেখছি তখনই হাঁটার গতিবেগ বাড়িয়ে এগিয়ে চলছি। হাঁফ ধরে আসছে, শরীর ক্লান্ত, অবসন্ন, জিভটা শুকিয়ে রয়েছে। মুখের ভেতরটা কেমন টকটক, বিস্বাদ লাগছে। পকেটে হাত দিলাম, না লজেন্স বা বাবুলগাম কিছু নেই। সব শেষ। আছে শুধু চোখের সামনে সেই কটেজটা। আমাদের লক্ষ্যবস্তু। অভীষ্ট লাভের ইচ্ছায় এগিয়ে চলেছি। আরও একটা পাহাড়ী বাঁক অতিক্রম করবার পর দেখতে পেলাম সেই ফলকটা। যাতে "সান্দাকফু" শব্দটি লেখা। যাকে নিয়ে আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম লেখা সমেত পাথরের খোদাই করা ফলকটিকে ধরে আমি ছবি তুলছি। হলও তাই। আমি এবং সর্বাশীষ একবার একবার করে সেই ফলকটাকে ছুঁয়ে ফটো তুললাম। সেই মুহূর্তে যে আনন্দটা পেয়েছিলাম তা ঠিক ভাষায় প্রকাশ করবার মতো নয়। মনে হচ্ছিল কোন রাজ্য জয় করে ফেলেছি। অনুভব করলাম কেন ছন্দা গায়েন, বসন্ত সিংহরায়ের মতো শৃঙ্গজয়ীরা বারবার পাহাড়ে ছুটে আসেন। পৃথিবীর যে কোনো শৃঙ্গই বোধহয় ট্রেকারদের এরকমভাবে এক অমোঘ আকর্ষণের মাধ্যমে নিজের কাছে টেনে নিয়ে যায়। ভেবে অবাক হচ্ছিলাম এই পাহাড়, শৃঙ্গ,প্রকৃতি এদের কি অসম্ভব সম্মোহনী ক্ষমতা। আমরা মানুষেরা বোধহয় শৃঙ্গ জয় করিনা, শৃঙ্গই আসলে আমাদের পরাজিত করে ওদের কাছে আকর্ষণ করে। আমরাই ওদের কাছে বশ্যতা স্বীকার করি।
দুপুর
1:30 মিনিট
স্থান:- সান্দাকফু, GTA COTTAGE
স্থান:- সান্দাকফু, GTA COTTAGE
- শরীর একদম
ছেড়ে
দিয়েছে। আজ
আর
কোথাও
নড়ছি
না।
সর্বাশীষ বলল।
- সে ঠিক আছে। ভাল করে রেস্ট করে নে। কাল কিন্তু অনেকটা পথ। 21কিমি । তবে ফালুটের রাস্তাটা বেশিরভাগটাই সমতল। গাছপালা কম। হাওয়াটা একটু বেশি। শতদল বলল।
- আমাকে কি পাগলা কুত্তায় কামড়েছে? আমি আর নড়ছি না। সর্বাশীষ বলল।
- তার মানে? বেশ অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করল শতদল।
- তার মানে আমি, সর্বা ও সঞ্জীব আমাদের দম শেষ। আমাদের মিশন সান্দাকফু সাকসেসফুল। আমরা এবার ল্যান্ড রোভারে করে ব্যাক টু মানেভন্জং। আমি বললাম।
শতদল তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে বলল - শালা তুই যত নষ্টের গোঁড়া। তুই জীবনে আর কোনও দিন ট্রেকিং করতে আসবি না। শালা পলিটিক্স করে দল ভারি করেছিস।
- আমি আবার কি করলাম? সবাই সবার নিজের মতামতই প্রকাশ করেছে। আমি শুধু সবার হয়ে কথাটা তোকে জানালাম। আরে ভাই না পারলে কি করব? দ্যাখ্ আমি দার্জিলিং মেলে ওঠা থেকেই বলে এসেছি যে আমাদের এই জার্নিটা হল "মিশন সান্দাকফু"। এটা নিয়ে আমি ভবিষ্যতে লেখালেখিও করব। শুধু শুধু আবার ফালুটকে টেনে আনা কেন?
- রাখ তোর লেখালেখি। তন্ময় তুই কি করবি? শতদল জিজ্ঞাসা করল।
- হ্যাঁ গ্যাস কাকুর মতামতটাও জরুরি। সর্বাশীষ বলল। পাশ থেকে সঞ্জীব টোন কেটে সুর করে বলল " উত্তমম্ দদ্দাতি পাদম্, মধ্যম পাদম্ থুচুক থুচুক, কনিষ্ঠং থুরথুরি পাদম্, সুড়সুড়ি প্রাণঃ কাটকম্"। গ্যাস কাকু ফালুটে গিয়ে গ্যাস ছাড়বে আর এই ডায়লগটা বলবে।
সবাই হো হো করে হেসে উঠলাম একমাত্র শতদল ছাড়া।
তখন তন্ময় বলল - না না তোকে এতটা পথ একা ছাড়া যাবে না। আমি তোর সাথে আছি।
- তোরা যাস আর না যাস, আমি এই পুরো রেঞ্জটা কভার করে আসতে চাই। শতদল বলল রেগেমেগে।
- সে ঠিক আছে। ভাল করে রেস্ট করে নে। কাল কিন্তু অনেকটা পথ। 21কিমি । তবে ফালুটের রাস্তাটা বেশিরভাগটাই সমতল। গাছপালা কম। হাওয়াটা একটু বেশি। শতদল বলল।
- আমাকে কি পাগলা কুত্তায় কামড়েছে? আমি আর নড়ছি না। সর্বাশীষ বলল।
- তার মানে? বেশ অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করল শতদল।
- তার মানে আমি, সর্বা ও সঞ্জীব আমাদের দম শেষ। আমাদের মিশন সান্দাকফু সাকসেসফুল। আমরা এবার ল্যান্ড রোভারে করে ব্যাক টু মানেভন্জং। আমি বললাম।
শতদল তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে বলল - শালা তুই যত নষ্টের গোঁড়া। তুই জীবনে আর কোনও দিন ট্রেকিং করতে আসবি না। শালা পলিটিক্স করে দল ভারি করেছিস।
- আমি আবার কি করলাম? সবাই সবার নিজের মতামতই প্রকাশ করেছে। আমি শুধু সবার হয়ে কথাটা তোকে জানালাম। আরে ভাই না পারলে কি করব? দ্যাখ্ আমি দার্জিলিং মেলে ওঠা থেকেই বলে এসেছি যে আমাদের এই জার্নিটা হল "মিশন সান্দাকফু"। এটা নিয়ে আমি ভবিষ্যতে লেখালেখিও করব। শুধু শুধু আবার ফালুটকে টেনে আনা কেন?
- রাখ তোর লেখালেখি। তন্ময় তুই কি করবি? শতদল জিজ্ঞাসা করল।
- হ্যাঁ গ্যাস কাকুর মতামতটাও জরুরি। সর্বাশীষ বলল। পাশ থেকে সঞ্জীব টোন কেটে সুর করে বলল " উত্তমম্ দদ্দাতি পাদম্, মধ্যম পাদম্ থুচুক থুচুক, কনিষ্ঠং থুরথুরি পাদম্, সুড়সুড়ি প্রাণঃ কাটকম্"। গ্যাস কাকু ফালুটে গিয়ে গ্যাস ছাড়বে আর এই ডায়লগটা বলবে।
সবাই হো হো করে হেসে উঠলাম একমাত্র শতদল ছাড়া।
তখন তন্ময় বলল - না না তোকে এতটা পথ একা ছাড়া যাবে না। আমি তোর সাথে আছি।
- তোরা যাস আর না যাস, আমি এই পুরো রেঞ্জটা কভার করে আসতে চাই। শতদল বলল রেগেমেগে।
এইবেলা
আপনাদের জানিয়ে রাখি
শতদল
একাই
পরের
দিন
21কিমি
পথ
অতিক্রম করে
ফালুট
গিয়েছিল। আর
আমরা
চারজনে
একটা
ল্যান্ড রোভার
গাড়ি
ভাড়া
করে
সান্দাকফু থেকে
মানেভন্জং ফিরে
এসেছিলাম।
মানুষ
বলে
থাকে
স্বর্গ,
নরক,পৃথিবী সব আলাদা
আলাদা।
আমি
বলব
আমাদের
এই
ধরাধামেই স্বর্গ,
নরক
সব
আছে।
আপনি
চাইলেই
স্বর্গ
দেখতে
পারেন।
পরের
দিন
ভোরবেলা আমরা
যখন
সান্দাকফুর TOP VIEW POINT থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখছি
মনে
হল
ভগবান
বুদ্ধদেবকে দর্শন
করছি।
'স্লিপিং বুদ্ধ
' কাঞ্চনজঙ্ঘার এই
দৃশ্য
হয়ত
অনেকেরই জানা।
মনে
হচ্ছিল
ভগবান
বুদ্ধদেব পরম
শান্তিতে ধরাধামে শুয়ে
আছেন।
অসামান্য সানরাইজ দেখার
পর
আপনার
মনে
হবেই
যে
আপনি
স্বর্গে আছেন।
সেই
কারণে
বারবার
মনে
হতে
লাগল
প্রকৃতিই স্বর্গ,
প্রকৃতিই ঈশ্বর।
আমরা
সত্যিই
ভাগ্যবান যে
আমরা
সেই
স্বর্গ,
সেই
ঈশ্বরকে চাক্ষুষ দর্শন
করলাম।
এই
প্রকৃতিকে আমরা
যেন
হেলায়
না
হারাই।
সমাপ্ত


Comments
Post a Comment