মুঠো
ফোন
ছাদে
যাওয়ার সিঁড়ি । তার পাশে কমন স্পেস দিয়ে ঘরে যাওয়ার রাস্তা । দোতলায় উঠে
সিঁড়ির ঠিক দ্বিতীয় কি তৃতীয় ধাপে বসে থাকে ও। মানে অসীম, আমাদের অসীম কুমার ।
হাতে একখানা স্মার্ট ফোন সঙ্গে একটা হেডফোন, কানে গোঁজা ।রোজ রাত
দশটার পর থেকে চলে গল্প কথন, মন দেওয়া নেওয়ার খেলা, হাসি, ঠাট্টা, মুখ ভেংচানো, দূরভাষ যন্ত্রে একে
অপরের চলচ্ছবি দেখা । স্মার্ট ফোনের দৌলতে এখন তো শুধু শোনা নয় বরং একে অপরকে বেশ
ভালভাবেই কাছে পান প্রেমিক যুগল বা আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব,বাবা মা ইত্যাদি
ইত্যাদি ।
একতলার
সিঁড়ি থেকে দোতলায় আসবার সময় কোন একজনের পদচারণার শব্দ । রমিত চাটুজ্জের প্রবেশ
।দোতলায় অসীম কুমারের সামনে আসে রমিত ।ওকে জিজ্ঞাসা করে .........."বলি
হ্যাঁরে হতভাগা, আর
কত কষ্ট দিবি ক তো ওই যন্তরটারে? "
"রমিত দা আবার এসে শুরু করলে?খাওয়া হয়ে গেছে যখন, যাওনা গিয়ে শুয়ে পর
এবার।" - অসীম বলল।
রমিত - " হ্যাঁরে পোড়ারমুখো আমারে দেইখ্যা জ্বলন তো হইবই। অহন তুই চাইনার মাইয়াটার লগে প্রেম করতাছস্, আমি হইলাম গিয়া কাবাব মে হাড্ডি, জ্বলন তো হইবই।"
অসীম কুমার - "বোঝই তো সব। তাহলে আবার কেন আসো বলোতো? একটু কম কথা বললে কি হয় হ্যাঁ? "
রমিত - "অরে তোরা কথা কস বইলা আমার জ্বলন হয়না। আমার জ্বলন হয় ওই যন্তরটার লাইগ্যা।" - রমিত চাটুজ্জের মন্তব্য অসীমের হাতে থাকা মোবাইলটাকে উদ্দেশ্য করে ।
"এই মোবাইলটার জন্য?মানে টা একটু বুঝিয়ে বলবে? " -অসীম কুমার বলল।
রমিত - "হ কমু না ক্যান, আলবাত কমু।খুইল্যা কইতাছি।ভাল কইরা শুইন্যা দ্যাখ্ হক কথা কইতাসি কিনা? আজকালকার দিনে আমি আমার স্মার্ট ফোনটার দুই দিন পর পর চার্জ করি। জিগা ক্যামনে।"
অসীম - বল ক্যামনে?
ত শোন পোড়াকপাইল্যা - রমিত চাটুজ্জ্যে বলতে আরম্ভ করলেন ।"প্রথমত আমি অলটাইম নেট টারে অন কইরা রাখি না।প্রয়োজন মত অন আর প্রয়োজন মত অফ। ব্রাইটনেসটারে এক্কেবারে কমাইয়া রাখি।ক্যান? হেইডার কারণ আছে বইকী ।ইহাতে চক্ষুর ক্ষতি কম হয় ও ফোনটার ব্যাটারির লংজিবিটি একটু হইলেও বাইরা যায় । বুঝলিরে ব্যাটা?"
বুঝলাম - তিতিবিরক্ত হয়ে অসীম বলল।
"দ্বিতীয়ত হইল গিয়া বেশি বেশি ভিডিও, গেম,ছবি এইসব এক্কেবারে যতটা কম কইরা রাখা যায় ততই মঙ্গল যন্তরটার লাইগ্যা। তাছাড়া ভিডিও গুলি বেশি দ্যাখলে রাতে ঘুমাইতে অসুবিধা হয় হেইডা কি বোঝস না? - ফিসফিস করে বলল চাটুজ্জ্যে ।
"তৃতীয়ত যেইটা আমি কমু হেইডা করতে পারলে শুধু স্মার্ট ফোনটা ক্যান পুরা দুনিয়াটা পাল্টাইয়া যাইত।"
"কি সেটা?" -অসীম কুমার জিজ্ঞাসা করল।
"হেইডা হইল গিয়া প্রেম।তুই যেমন চায়না মাইয়াটার লগে প্রেম করস, আমি তেমন আমার স্মার্ট ফোনটার লগে প্রেম করি। উহারে ভালবাসি। রোজ কই I LOVE YOU. যন্তর হইলে কি হইব উহার মধ্যে তো প্রাণ আছে ।যন্তরটারে আমি একটা নাম দিসি , কি জানস্?
কি? - অসীম জিজ্ঞাসা করল।
"আশ্চর্য প্রদীপ।" রমিত চাটুজ্জ্যে বলল।
"বাঃ এইটা বেশ ভালো বলেছ তো।- অসীমের মন্তব্য ।
"যাক বুঝঝস্ তাইলে, ছোঁড়া ধরি ফ্যালেছে। শুধু আঙুল ঘষতাছি আর দুনিয়াটারে দ্যাখতাছি।হেইডা আশ্চর্য প্রদীপ নয়তো কি তুই ক আমারে।তা মাঝে মাঝে উহারে নাম ধইরা ডাকি। কাছে লইয়া আদর করি। আবার সময় মতো ওটারে এক রাত্রি কইরা স্বাধীনতা দিই। সহবাস করনের সময় উহারে আর ডিস্টার্ব করি না" । - রমিত চাটুজ্জের মন্তব্য ।
রমিত - " হ্যাঁরে পোড়ারমুখো আমারে দেইখ্যা জ্বলন তো হইবই। অহন তুই চাইনার মাইয়াটার লগে প্রেম করতাছস্, আমি হইলাম গিয়া কাবাব মে হাড্ডি, জ্বলন তো হইবই।"
অসীম কুমার - "বোঝই তো সব। তাহলে আবার কেন আসো বলোতো? একটু কম কথা বললে কি হয় হ্যাঁ? "
রমিত - "অরে তোরা কথা কস বইলা আমার জ্বলন হয়না। আমার জ্বলন হয় ওই যন্তরটার লাইগ্যা।" - রমিত চাটুজ্জের মন্তব্য অসীমের হাতে থাকা মোবাইলটাকে উদ্দেশ্য করে ।
"এই মোবাইলটার জন্য?মানে টা একটু বুঝিয়ে বলবে? " -অসীম কুমার বলল।
রমিত - "হ কমু না ক্যান, আলবাত কমু।খুইল্যা কইতাছি।ভাল কইরা শুইন্যা দ্যাখ্ হক কথা কইতাসি কিনা? আজকালকার দিনে আমি আমার স্মার্ট ফোনটার দুই দিন পর পর চার্জ করি। জিগা ক্যামনে।"
অসীম - বল ক্যামনে?
ত শোন পোড়াকপাইল্যা - রমিত চাটুজ্জ্যে বলতে আরম্ভ করলেন ।"প্রথমত আমি অলটাইম নেট টারে অন কইরা রাখি না।প্রয়োজন মত অন আর প্রয়োজন মত অফ। ব্রাইটনেসটারে এক্কেবারে কমাইয়া রাখি।ক্যান? হেইডার কারণ আছে বইকী ।ইহাতে চক্ষুর ক্ষতি কম হয় ও ফোনটার ব্যাটারির লংজিবিটি একটু হইলেও বাইরা যায় । বুঝলিরে ব্যাটা?"
বুঝলাম - তিতিবিরক্ত হয়ে অসীম বলল।
"দ্বিতীয়ত হইল গিয়া বেশি বেশি ভিডিও, গেম,ছবি এইসব এক্কেবারে যতটা কম কইরা রাখা যায় ততই মঙ্গল যন্তরটার লাইগ্যা। তাছাড়া ভিডিও গুলি বেশি দ্যাখলে রাতে ঘুমাইতে অসুবিধা হয় হেইডা কি বোঝস না? - ফিসফিস করে বলল চাটুজ্জ্যে ।
"তৃতীয়ত যেইটা আমি কমু হেইডা করতে পারলে শুধু স্মার্ট ফোনটা ক্যান পুরা দুনিয়াটা পাল্টাইয়া যাইত।"
"কি সেটা?" -অসীম কুমার জিজ্ঞাসা করল।
"হেইডা হইল গিয়া প্রেম।তুই যেমন চায়না মাইয়াটার লগে প্রেম করস, আমি তেমন আমার স্মার্ট ফোনটার লগে প্রেম করি। উহারে ভালবাসি। রোজ কই I LOVE YOU. যন্তর হইলে কি হইব উহার মধ্যে তো প্রাণ আছে ।যন্তরটারে আমি একটা নাম দিসি , কি জানস্?
কি? - অসীম জিজ্ঞাসা করল।
"আশ্চর্য প্রদীপ।" রমিত চাটুজ্জ্যে বলল।
"বাঃ এইটা বেশ ভালো বলেছ তো।- অসীমের মন্তব্য ।
"যাক বুঝঝস্ তাইলে, ছোঁড়া ধরি ফ্যালেছে। শুধু আঙুল ঘষতাছি আর দুনিয়াটারে দ্যাখতাছি।হেইডা আশ্চর্য প্রদীপ নয়তো কি তুই ক আমারে।তা মাঝে মাঝে উহারে নাম ধইরা ডাকি। কাছে লইয়া আদর করি। আবার সময় মতো ওটারে এক রাত্রি কইরা স্বাধীনতা দিই। সহবাস করনের সময় উহারে আর ডিস্টার্ব করি না" । - রমিত চাটুজ্জের মন্তব্য ।
"সহবাস, মাই গড্। একটু বুঝিয়ে
বলবে? " - অসীম অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করল।
"হা হা হা হা ..... আমার ফোনটা হইল গিয়া মাইয়া মানুষ আর চার্জার টা হইল গিয়া উহার দোসর । দুই দিন পর পর সুইচ্ অফ কইরা একটার লগে আরেকটার মিলন করাইয়া দিই। সারারাত ধইরা চার্জ হয়।
সকালে উইঠ্যা দেখি ওহারা ফুরফুরে সাথে আমিও নিশ্চিন্ত । কি কেমন দিলুম । বুঝলি তো আমার ফোন প্রেম ও তার সহবাসের মানে ।" - রমিতের সরস মন্তব্য।
"ওহো রমিত দা তুমি পারও বটে ।কিন্তু একটা কথা তোমাকে না বলে পারছি না "। - অসীম বেশ চিন্তিত হয়েই বলল।
তা ক না কি কইবি । রমিত বলল।
অসীম জিজ্ঞাসা করল -"তুমি রিলায়েন্স জিওর নাম শুনেছ তো?"
"হ শুনছি ।শুনুম না ক্যান্?ফেসবুকে অ্যাড ও তো দেখতাছি।অহন তো ফেসবুক আর হোয়াটস্ অ্যাপে সব খবরই আপডেট পাইয়া যাই।নিউজ পরনের দরকার পরে না । একটা হট টপিক চলতাছে না, আমি উহার একখান নাম দিয়াছি।" - রমিত বলল।
"কি, কি বিষয়ে? " -অসীম জিজ্ঞাসা করল।
" ওঁ নমোনোটকান্ডকারখানা"। - রমিত চাটুজ্জ্যে বলল।
"বুঝলাম এবার তুমি মোদী কে নিয়ে শুরু করবে। কিন্তু তুমি কি এখনও সেটা ইউজ করা শুরু করেছ? তুমি তো ওই 2g 3g তেই পরে আছ। আমি অলরেডি অ্যাপ্লাই করে দিয়েছি জিও 4জি সিম। জান কি? - অসীম কুমার বেশ মজার সুরেই বলল।
"হা হা হা হা ..... আমার ফোনটা হইল গিয়া মাইয়া মানুষ আর চার্জার টা হইল গিয়া উহার দোসর । দুই দিন পর পর সুইচ্ অফ কইরা একটার লগে আরেকটার মিলন করাইয়া দিই। সারারাত ধইরা চার্জ হয়।
সকালে উইঠ্যা দেখি ওহারা ফুরফুরে সাথে আমিও নিশ্চিন্ত । কি কেমন দিলুম । বুঝলি তো আমার ফোন প্রেম ও তার সহবাসের মানে ।" - রমিতের সরস মন্তব্য।
"ওহো রমিত দা তুমি পারও বটে ।কিন্তু একটা কথা তোমাকে না বলে পারছি না "। - অসীম বেশ চিন্তিত হয়েই বলল।
তা ক না কি কইবি । রমিত বলল।
অসীম জিজ্ঞাসা করল -"তুমি রিলায়েন্স জিওর নাম শুনেছ তো?"
"হ শুনছি ।শুনুম না ক্যান্?ফেসবুকে অ্যাড ও তো দেখতাছি।অহন তো ফেসবুক আর হোয়াটস্ অ্যাপে সব খবরই আপডেট পাইয়া যাই।নিউজ পরনের দরকার পরে না । একটা হট টপিক চলতাছে না, আমি উহার একখান নাম দিয়াছি।" - রমিত বলল।
"কি, কি বিষয়ে? " -অসীম জিজ্ঞাসা করল।
" ওঁ নমোনোটকান্ডকারখানা"। - রমিত চাটুজ্জ্যে বলল।
"বুঝলাম এবার তুমি মোদী কে নিয়ে শুরু করবে। কিন্তু তুমি কি এখনও সেটা ইউজ করা শুরু করেছ? তুমি তো ওই 2g 3g তেই পরে আছ। আমি অলরেডি অ্যাপ্লাই করে দিয়েছি জিও 4জি সিম। জান কি? - অসীম কুমার বেশ মজার সুরেই বলল।
"হ তো হইল টা কি?4জি না লইলে কি আমার
প্যাটের ভাত হজম হইব না? " - রমিত জিজ্ঞাসা করল বেশ তারস্বরে ।
"না তা নয়।" একটু থেমে অসীম কুমার বলল - "4জি ইউজ করলে তোমার ওই দুদিন পর পর চার্জ করা আর হত না ।তখন সব ফোন প্রেম না করপুরের মতো উবে যেত।"
"আরে রাখ তোর 4জি। আমি আর কিছুদিন পর 9জি ইউজ করুম।আর চার্জ ও দিমু দুই দিন পর পর।" - বেশ জোরের সহিত রমিত দাবি করল।
"অ্যা 9জি। আবার একটা নতুন গুল.......
"চুপ কর তুই।" - অসীমের মুখের কথা কেড়ে নিয়ে রমিতের উদ্ধত মন্তব্য ।" তুই নিতাছস্ জিও সিম, আমি কি নিমু জানস্।
"জানি না ।বলে ফেল।" - অসীম বলল।
"যুগ যুগ জিও সিম।"
"অ্যাঁ যুগ যুগ জিও? সত্যিই তোমার না এই কনস্ট্রাকশন লাইন ছেড়ে বিজ্ঞাপন জগতে কাজ করা উচিত । আর বেকার 9জি কেন 10জি নিলেই তো পার? - অসীম বলল।
"তাইলে তুই আমারে একটা প্রশ্নের উত্তর দে। এক অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যাটা কত?"
কেন 9 - অসীম বলল।
"তাইলে তো বুঝতেই পারতাছস্ বৃহত্তম সংখ্যার সিমের গতিবেগটা কতটা বৃহত্তর হইব।" - রমিতের সরস মন্তব্য ।
"মানতেই হচ্ছে রমিত দা U R Genius. " -অসীমের স্বীকারোক্তি ।
" বাঙালরা ঘটিদের তুলনায় একটু বেশিই জিনিয়াস হয় রে, সেইডা বোঝস্ না? "
"মানি না । - অসীমের দৃঢ় মন্তব্য ।
"তোর মাননের দরকার নাই।নিজেকে বাঙাল কইতে গর্ববোধ হয় । কারণ আমি বাঙাল অর্থাত্ পুংলিঙ্গ ।আর তোরা হইলি গিয়া বাঙালি অর্থাত্ স্ত্রী লিঙ্গ ।" - রমিত চাটুজ্জের ফুলটস মন্তব্য ।
"এটা তো একটা ঝাড়া ডায়লগ বলে দিলে।কি বেশ বন্দোপাধ্যায় ভদ্রলোকের নাম? উনিই তো বলেছিলেন । - অসীম বলল।
"পোড়ারমুখো ।তোরা আজকালকার পোলারা হেইডাও জানস না ।ওনার নাম ভানু বন্দোপাধ্যায়। আমার গুরু। তাইলে তো ওনার আসল নামটাও জানস্ না । সাম্যময় বন্দোপাধ্যায়। ওনার মধ্যে দিয়াই তো বাঙালরা চিরকাল বাঁইচ্যা থাকব।" - শ্রদ্ধাসহ মন্তব্যের সাথে সাথে রমিতেরপ্রস্থান ।
"না তা নয়।" একটু থেমে অসীম কুমার বলল - "4জি ইউজ করলে তোমার ওই দুদিন পর পর চার্জ করা আর হত না ।তখন সব ফোন প্রেম না করপুরের মতো উবে যেত।"
"আরে রাখ তোর 4জি। আমি আর কিছুদিন পর 9জি ইউজ করুম।আর চার্জ ও দিমু দুই দিন পর পর।" - বেশ জোরের সহিত রমিত দাবি করল।
"অ্যা 9জি। আবার একটা নতুন গুল.......
"চুপ কর তুই।" - অসীমের মুখের কথা কেড়ে নিয়ে রমিতের উদ্ধত মন্তব্য ।" তুই নিতাছস্ জিও সিম, আমি কি নিমু জানস্।
"জানি না ।বলে ফেল।" - অসীম বলল।
"যুগ যুগ জিও সিম।"
"অ্যাঁ যুগ যুগ জিও? সত্যিই তোমার না এই কনস্ট্রাকশন লাইন ছেড়ে বিজ্ঞাপন জগতে কাজ করা উচিত । আর বেকার 9জি কেন 10জি নিলেই তো পার? - অসীম বলল।
"তাইলে তুই আমারে একটা প্রশ্নের উত্তর দে। এক অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যাটা কত?"
কেন 9 - অসীম বলল।
"তাইলে তো বুঝতেই পারতাছস্ বৃহত্তম সংখ্যার সিমের গতিবেগটা কতটা বৃহত্তর হইব।" - রমিতের সরস মন্তব্য ।
"মানতেই হচ্ছে রমিত দা U R Genius. " -অসীমের স্বীকারোক্তি ।
" বাঙালরা ঘটিদের তুলনায় একটু বেশিই জিনিয়াস হয় রে, সেইডা বোঝস্ না? "
"মানি না । - অসীমের দৃঢ় মন্তব্য ।
"তোর মাননের দরকার নাই।নিজেকে বাঙাল কইতে গর্ববোধ হয় । কারণ আমি বাঙাল অর্থাত্ পুংলিঙ্গ ।আর তোরা হইলি গিয়া বাঙালি অর্থাত্ স্ত্রী লিঙ্গ ।" - রমিত চাটুজ্জের ফুলটস মন্তব্য ।
"এটা তো একটা ঝাড়া ডায়লগ বলে দিলে।কি বেশ বন্দোপাধ্যায় ভদ্রলোকের নাম? উনিই তো বলেছিলেন । - অসীম বলল।
"পোড়ারমুখো ।তোরা আজকালকার পোলারা হেইডাও জানস না ।ওনার নাম ভানু বন্দোপাধ্যায়। আমার গুরু। তাইলে তো ওনার আসল নামটাও জানস্ না । সাম্যময় বন্দোপাধ্যায়। ওনার মধ্যে দিয়াই তো বাঙালরা চিরকাল বাঁইচ্যা থাকব।" - শ্রদ্ধাসহ মন্তব্যের সাথে সাথে রমিতেরপ্রস্থান ।
Super entertaining.
ReplyDeleteধন্যবাদ। লগে রহো ।
ReplyDelete