Let's Go অজন্তা ইলোরা - প্রথম পর্ব
'দাদা যাবে নাকি অজন্তা ইলোরা??'
'দাদা যাবে নাকি অজন্তা ইলোরা??'
'দাদা যাবে নাকি অজন্তা ইলোরা???'
আজ অনেকদিন পর এই কথাটা ভোদলুদার মনে পড়তে লাগল। গতবছর অক্টোবর মাসে পুজোর সময় হঠাৎ করেই অজন্তা,ইলোরা,বিবি কা মকবরা, সিঁড়িডি সাঁই ইত্যাদি জায়গা ট্রিপ করবার সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলো ও। কবে বেশ ছিল দিনটা? হ্যাঁ মনে পড়েছে। গত নবমীর বিকেল। বেলা চারটে পাঁচ দশ হবে। উজ্জ্বল হঠাৎ করেই অ্যাকাউন্টস অফিসে হাজির। হাল্কা হাতের ইশারায় ভোদলু দা কে ডেকে নিল বাইরে আর তারপরেই এই প্রস্তাবটা দিয়েছিল ও ভোদলু দা কে। ভোদলু দা করিৎকর্মা লোক। অফিসে খুব পাঞ্চুয়াল। এক construction কোম্পানিতে site accountant হিসাবে পোস্টেড আছেন। বর্তমানে তেলেঙ্গানায় থাকেন। এই বেলা ছোট্ট করে ওনার পরিচয়টা দিয়ে রাখি।
সদা হাস্যময়। তবে সেটা ভেতরে ভেতরে। বাইরে থেকে লোকে মনে করে যে তিনি মানুষটা একটু গুরুগম্ভীর টাইপ। আদপে মোটেই তা নন। আসলে কাজের জায়গায় একটু গম্ভীর থাকবার অভিনয় তো কমবেশি সবাই করে থাকে। কল্পনাপ্রবণ। মাঝে মাঝে আকাশকুসুম কল্পনা মনের গভীরে চলতেই থাকে। আইডিওলজি তে বিশ্বাস করেন। চিন্তাভাবনায় উদারতা ও খোলা মনের বিচারধারা নিয়ে চলেন। আগেই তো বলেছি ভোদলু দা অফিসে খুব পাঞ্চুয়াল। সাথে প্রফেশনাল তো বটেই। আশে পাশে লোকজনের কাছে উনি একজন কর্মোদ্যম ব্যক্তি হিসেবেই পরিচিত। কিন্তু এরই সাথে সাথে এই ভোদলুদার মধ্যে আরেক হুজুগে, সামান্য পাগলাটে (আপনি খ্যাপাটেও বলতে পারেন), একটু খুঁতখুঁতে এক বাচ্চা স্বভাবের ভোদলু দা কে দেখতে পাওয়া যায়। নইলে একবার ভাবুন। উজ্জ্বল জাস্ট একবার বলাতে দুম করে সেই ভোদলু দা যাকে বলে একদম লোটাকম্বল গুটিয়ে বেড়িয়ে পড়ল অজন্তা ইলোরার পথে।
আরও ভাবুন একটি বাঙ্গালী বাবু (ভোদলু দা) দুর্গাপুজোর নবমী তিথিতে কোলকাতায় না এসে সেই সুদূর তেলেঙ্গানায় রইলেন। কি না, Accounts Department টাকে পুরোপুরি বন্ধ করা যাবে না। তাহলে খেটে খাওয়া মানুষগুলোর কি হবে? যারা সেই বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা ছেড়ে শুধুমাত্র পেটের জ্বালায় এই তেলেঙ্গানায় এসে থাকে। এহেন অবস্থায় ভোদলু দা দুর্গাপুজোর প্রথম তিনদিনে ওদের সমস্ত পাওনাগণ্ডা মিটিয়ে দিয়ে নবমীর দিন রিলাক্স মুডে হিসেব নিকেশ দেখছেন। কম্পিউটার স্ক্রীনে এক্সেল শিটে ডেবিট ক্রেডিট মেলাচ্ছেন। কিন্তু যেইনা উজ্জ্বল এসে ওইরকম একটা প্রস্তাব দিল অমনি, অমনি ওর ভেতরের সেই বাচ্চা ছেলেটা জেগে উঠল। অফিসের বসকে ফটাফট রাজী করিয়ে জাস্ট পাঁচ মিনিটের মধ্যে উলুবেড়িয়ার খামরুই ও পুরুলিয়ার গড়াইকে বগলদাবা করে সটাসট বেড়িয়ে পড়ল অজন্তা ইলোরার উদ্দ্যেশে।
ভাবছেন তো এ আবার কি? মাথায় নিশ্চয়ই কিছু ঢুকছে না?"উলুবেড়িয়ার খামরুই" "পুরুলিয়ার গড়াই" - আরে এসবের মানেটা কি? বলছি বলছি। একটু সবুর করুন। সবে তো গল্পের শুরু। এরপর তো আপনাদের অজন্তা ইলোরার গুহায় নিয়ে যাব। আগে একটু শান্ত হয়ে বসে দম নিন। ও হ্যাঁ !! যেটা বলছিলাম -
"উলুবেড়িয়ার খামরুই"- অর্থাৎ উজ্জ্বল খামরুই যে কিনা উলুবেড়িয়ায় থাকে এবং "পুরুলিয়ার গড়াই" - অর্থাৎ যাদব গড়াই যে কিনা............ কোথায় থাকে সেটা নিশ্চয়ই আর বলে দিতে হবে না। কিন্তু যেটা বলতে হবে সেটা হল এই দুজনের ছোট্ট করে একটা পরিচয়। আপনি এই লেখাটা পড়তে পড়তে অজন্তা ইলোরা ঘুরে আসবেন আর যাদের সঙ্গে যাবেন তাদের পরিচয়টাও জানবেন না তাও কি কখনও হয়। তাই ওদের দুজনের পরিচয় নিয়ে আসছি পরের পর্বে.........।।
'দাদা যাবে নাকি অজন্তা ইলোরা??'
'দাদা যাবে নাকি অজন্তা ইলোরা??'
'দাদা যাবে নাকি অজন্তা ইলোরা???'
আজ অনেকদিন পর এই কথাটা ভোদলুদার মনে পড়তে লাগল। গতবছর অক্টোবর মাসে পুজোর সময় হঠাৎ করেই অজন্তা,ইলোরা,বিবি কা মকবরা, সিঁড়িডি সাঁই ইত্যাদি জায়গা ট্রিপ করবার সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলো ও। কবে বেশ ছিল দিনটা? হ্যাঁ মনে পড়েছে। গত নবমীর বিকেল। বেলা চারটে পাঁচ দশ হবে। উজ্জ্বল হঠাৎ করেই অ্যাকাউন্টস অফিসে হাজির। হাল্কা হাতের ইশারায় ভোদলু দা কে ডেকে নিল বাইরে আর তারপরেই এই প্রস্তাবটা দিয়েছিল ও ভোদলু দা কে। ভোদলু দা করিৎকর্মা লোক। অফিসে খুব পাঞ্চুয়াল। এক construction কোম্পানিতে site accountant হিসাবে পোস্টেড আছেন। বর্তমানে তেলেঙ্গানায় থাকেন। এই বেলা ছোট্ট করে ওনার পরিচয়টা দিয়ে রাখি।
সদা হাস্যময়। তবে সেটা ভেতরে ভেতরে। বাইরে থেকে লোকে মনে করে যে তিনি মানুষটা একটু গুরুগম্ভীর টাইপ। আদপে মোটেই তা নন। আসলে কাজের জায়গায় একটু গম্ভীর থাকবার অভিনয় তো কমবেশি সবাই করে থাকে। কল্পনাপ্রবণ। মাঝে মাঝে আকাশকুসুম কল্পনা মনের গভীরে চলতেই থাকে। আইডিওলজি তে বিশ্বাস করেন। চিন্তাভাবনায় উদারতা ও খোলা মনের বিচারধারা নিয়ে চলেন। আগেই তো বলেছি ভোদলু দা অফিসে খুব পাঞ্চুয়াল। সাথে প্রফেশনাল তো বটেই। আশে পাশে লোকজনের কাছে উনি একজন কর্মোদ্যম ব্যক্তি হিসেবেই পরিচিত। কিন্তু এরই সাথে সাথে এই ভোদলুদার মধ্যে আরেক হুজুগে, সামান্য পাগলাটে (আপনি খ্যাপাটেও বলতে পারেন), একটু খুঁতখুঁতে এক বাচ্চা স্বভাবের ভোদলু দা কে দেখতে পাওয়া যায়। নইলে একবার ভাবুন। উজ্জ্বল জাস্ট একবার বলাতে দুম করে সেই ভোদলু দা যাকে বলে একদম লোটাকম্বল গুটিয়ে বেড়িয়ে পড়ল অজন্তা ইলোরার পথে।
আরও ভাবুন একটি বাঙ্গালী বাবু (ভোদলু দা) দুর্গাপুজোর নবমী তিথিতে কোলকাতায় না এসে সেই সুদূর তেলেঙ্গানায় রইলেন। কি না, Accounts Department টাকে পুরোপুরি বন্ধ করা যাবে না। তাহলে খেটে খাওয়া মানুষগুলোর কি হবে? যারা সেই বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা ছেড়ে শুধুমাত্র পেটের জ্বালায় এই তেলেঙ্গানায় এসে থাকে। এহেন অবস্থায় ভোদলু দা দুর্গাপুজোর প্রথম তিনদিনে ওদের সমস্ত পাওনাগণ্ডা মিটিয়ে দিয়ে নবমীর দিন রিলাক্স মুডে হিসেব নিকেশ দেখছেন। কম্পিউটার স্ক্রীনে এক্সেল শিটে ডেবিট ক্রেডিট মেলাচ্ছেন। কিন্তু যেইনা উজ্জ্বল এসে ওইরকম একটা প্রস্তাব দিল অমনি, অমনি ওর ভেতরের সেই বাচ্চা ছেলেটা জেগে উঠল। অফিসের বসকে ফটাফট রাজী করিয়ে জাস্ট পাঁচ মিনিটের মধ্যে উলুবেড়িয়ার খামরুই ও পুরুলিয়ার গড়াইকে বগলদাবা করে সটাসট বেড়িয়ে পড়ল অজন্তা ইলোরার উদ্দ্যেশে।
ভাবছেন তো এ আবার কি? মাথায় নিশ্চয়ই কিছু ঢুকছে না?"উলুবেড়িয়ার খামরুই" "পুরুলিয়ার গড়াই" - আরে এসবের মানেটা কি? বলছি বলছি। একটু সবুর করুন। সবে তো গল্পের শুরু। এরপর তো আপনাদের অজন্তা ইলোরার গুহায় নিয়ে যাব। আগে একটু শান্ত হয়ে বসে দম নিন। ও হ্যাঁ !! যেটা বলছিলাম -
"উলুবেড়িয়ার খামরুই"- অর্থাৎ উজ্জ্বল খামরুই যে কিনা উলুবেড়িয়ায় থাকে এবং "পুরুলিয়ার গড়াই" - অর্থাৎ যাদব গড়াই যে কিনা............ কোথায় থাকে সেটা নিশ্চয়ই আর বলে দিতে হবে না। কিন্তু যেটা বলতে হবে সেটা হল এই দুজনের ছোট্ট করে একটা পরিচয়। আপনি এই লেখাটা পড়তে পড়তে অজন্তা ইলোরা ঘুরে আসবেন আর যাদের সঙ্গে যাবেন তাদের পরিচয়টাও জানবেন না তাও কি কখনও হয়। তাই ওদের দুজনের পরিচয় নিয়ে আসছি পরের পর্বে.........।।


Most awaited series. Great start, Let's continue.
ReplyDeletePersonally amar o khub jaoar iccche but hoye uthche na / agami 1 or 2 years a mone hoy hobe o na.
:(
হবে হবে। ইচ্ছে থাকলেই উপায় হবে। আপাতত আমার লেখার সাথে ঘুরে নাও।
ReplyDelete